ক্রাইস্টচার্চ: পাঁচ সেশনেরও অধিক সময় ব্যাট করতে হত। সামনে ছিল ৫৩১ রানের রেকর্ড টার্গেট। তবে এই পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জের সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় মাথা নত করে। একেবারে শেষ পর্যন্ত নিউজ়িল্যান্ড বোলারেদর বিরুদ্ধে টানটান লড়াই চলে। শেষমেশ শাই হোপ (Shai Hope), জাস্টিন গ্রিভস (Justin Greaves) এবং কেমার রোচের (Kemar Roach) অবিশ্বাস্য লড়াইয়ে কিউয়িদের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট ড্র করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। বিগত আট দশকে যা হয়নি, টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে সেই পরিমাণ রান করলেও জয়টা অবশ্য অধরাই রয়ে গেল। তবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ বোর্ডে খাতা খুলল ক্যারিবিয়ানরা।  

Continues below advertisement

পঞ্চম দিনের শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের স্কোর ছিল চার উইকেটের বিনিময়ে ২১২ রান। ক্রিজে শতরানকারী শাই হোপ এবং অর্ধশতরান হাঁকিয়ে ব্যাট করা জাস্টিন গ্রিভস উপস্থিত ছিলেন। গতকাল শর্ট বলের পরিকল্পনায় খুব একটা লাভ হয়নি। তবে পঞ্চম দিনে সেই পরিকল্পনামাফিকই ১৪০ রানে হোপকে ফেরান ডেকব ডাফি। ইমলাক মাত্র ছয় রানে ফেরার পর হঠাৎ করেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের স্মরণীয় কিছু করার আশা ক্রমেই ফিকে হয়ে আসছিল। তবে তখনও তারপরে কী হবে সেটা কেউ আন্দাজও করতে পারেননি।

 

Continues below advertisement

কেমার রোচকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই শুরু করেন গ্রিভস। মাঝের সেশনে দুইজনে মিলে ১০৪ রান যোগ করেন এবং দুইজনের বিরুদ্ধে তেমন বড় কোনওরকম সুযোগও তৈরি হয়নি। ম্যাচের শেষ সেশনে আবারও শুরু হয় টানটান লড়াই। দুইজনেই মরিয়া লড়াই চালিয়ে যান। পায়ের টান, কিউয়ি বোলারদের ঝাঁঝালো বোলিং এড়িয়ে কেমার রোচ অর্ধশতরান হাঁকান। জাস্টিন গ্রিভসও মাত্র সপ্তম ব্যাটার হিসাবে টেস্ট ক্রিকেটের চতুর্থ ইনিংসে দ্বিশতরান করেন। 

 

কেমার রোচ মোট ২৩৩ বল ব্যাটিং করে অপরাজিত থাকেন। গ্রিভস ২০২ রানে অপরাজিত থাকেন। এই টানটান ম্যাচের পর দুই দল আবার ১০ ডিসেম্বর ওয়েলিংটনে দ্বিতীয় টেস্টে মুখোমুখি হবে।