দোহা: গত ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। তবে দুরন্তভাবে ঠিক পরের ম্যাচেই ওমানকে দুরমুশ করে জয়ে ফিরল জিতেশ শর্মার ভারত। পাশাপাশি গ্রুপ 'বি'-র এই ম্যাচে জয়ের সুবাদে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালেও নিজেদের জায়গা পাকা করে নিল ভারতীয় 'এ' (INDA vs OMN) দল।

Continues below advertisement

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ওমান শুরুটা বেশ দ্রুত গতিতেই করেছিল। ওমানের অধিনায়ক হামাদ মির্জার ৩২ রানের ইনিংস দলকে শুরুটা ভাল করতে সাহায্য করে। তবে বিজয় কুমার বিশাখ তাঁকে সাজঘরে ফেরত পাঠান। হামাদ প্রায় ২০০-র স্ট্রাইক রেটে রান করলেও, তাঁর ওপেনিং পার্টনার করণ সোনাভালে কিন্তু ১০০-র স্ট্রাইক রেটেও রান করতে পারছিলেন না। ১৯ বলে তাঁর ১২ রানের ইনিংসে ইতি টানেন সুয়াশ শর্মা। হামাদ আউট হওয়ার পরে তিনে নামা ওয়াসিম আলি ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান। নারায়ণ শৈশিবের সঙ্গে তিনি ২৮ রান যোগ করেন।

তবে একদিকে যেখানে ওয়াসিম রান করছিলেন, সেখানে অপরদিক থেকে নিরন্তর ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে ওমান। স্পিনারদের দাপটে এবং নিরন্তর উইকেট হারানোয় রানের গতিও প্রবলভাবে কমে যায়। ওয়াসিম আলি অপরাজিত ৫৪ রানের ইনিংস খেললেও, নির্ধারিত ২০ ওভারে সাত উইকেটের বিনিময়ে ১৩৫ রানেই থামে ওমানের ইনিংস। ভারত 'এ'  দলের হয়ে সুয়াশ এবং গুরজনপ্রীত উভয়েই দুইটি করে উইকেট নেন।

Continues below advertisement

১৩৬ রান তাড়া করতে নেমে ভারতের শুরুটা কিন্তু বেশ নড়বড়েই হয়েছিল। না বৈভব সূর্যবংশী না প্রিয়াংশ আর্য, দুই ভারতীয় ওপেনারের কেউই বড় রান পাননি। তাঁরা যথাক্রমে ১২ ও ১০ রানে সাজঘরে ফেরেন। তবে তিনে নামা নমন ধীর, চারে নামা হর্ষ দুবের সঙ্গে মিলে ইনিংসের হাল ধরেন। ধীর দ্রুত গতিতে ৩০ রানের ইনিংস খেলেন। তিনি আউট হলেও হর্ষ দুবে কিন্তু ক্রিজে টিকেই ছিলেন। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দেন নেহাল ওয়াধেরা। নেহাল রান খুব দ্রুত গতিতে না করলেও, ক্রিজে টিকে থাকেন।

চতুর্থ উইকেটে নেহাল ও হর্ষ ৬৬ রানের পার্টনারশিপে ভারতের জয় কার্যত সুনিশ্চিত করে ফেলেন। নেহাল দুর্ভাগ্যবশত ২৩ রানে আউট হওয়ায় ম্যাচ শেষ করে যেতে পারেননি। তবে হর্ষ দুরন্ত অর্ধশতরান হাঁকিয়ে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন। তিনি ৫৩ রানে অপরাজিত থাকেন। অধিনায়ক জিতেশ এক বলে চার মেরে অপরাজিত থাকেন।