মুম্বই: টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে সূর্যকুমার-গম্ভীর জুটি ভারতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বাজিমাত করে চলেছেন। একের পর এক সিরিজ জয়। এবার এশিয়া কাপও ঘরে তুলেছে ভারতীয় দল। কেমন সম্পর্ক দুজনের মধ্যে। দেশে ফেরার পর সূর্যকুমারকে এই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল। ভারত অধিনায়ক সরাসরি জানিয়ে দিলেন যে কোচের ওপর অগাধ আস্থা রয়েছে তাঁর।
এক সাক্ষাৎকারে সূর্যকুমার জানান, ''প্রতি দু ওভার, তিন ওভার পরপর আমি ডাগ আউটের দিতে তাকাই। তাঁর দিকে তাকাই। তিনি কিছু ইশারায় বোঝাতে চাইলে তা অনুযায়ী চলার চেষ্টা করি। কারণ অনেক সময় মাঠের বাইরে থেকে খেলাটা অন্যরকমভাবেও বোঝা যায়। অনেক কিছু মাঝে মাঝে আমার মাথায় চলে। মাঠে থাকার সময় বিশেষ করে। কে বল করবে, কোথায় ফিল্ডিং সাজাব এগুলো চলতে থাকে। যতক্ষণ না গৌতি ভাই আমার দিকে তাকিয়ে কিছু ইশারা করেন, ততক্ষণ নিজের মতই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি। কোনও কিছু ভেবে সিদ্ধান্ত নিই না।''
ফাইনালের আগে হার্দিক পাণ্ড্যর চোট তাঁকে ছিটকে দিয়েছিল। ফাইনালে তাঁর পরিবর্ত হয়ে এসেছিলেন শিবম দুবে। সে প্রসঙ্গে সূর্যকুমার বলেন, ''বিশ্বাসটা আলাদা পর্যায়ের আছে। এশিয়া কাপের ফাইনালে দুর্ভাগ্যজনকভাবে হার্দিককে আমরা পাইনি। কিন্তু দুবেকে খেলানোর বিষয়ে নিশ্চিত ছিলেন গম্ভীর ভাই। আমাকে উনি বলেছিলেন যে শিবম দুবে দায়িত্বটা নেবে। আমি তখন প্রশ্ন করেছিলেন যে তুমি পুরো নিশ্চিত তো? গৌতি ভাই জানিয়েছিলেন যে তিনি নিশ্চিত। তাই দুবেকে দিয়েই নতুন বলে বল করানোর ভাবনাটা মাথায় আসে।'' দুবেও কিন্তু ভরসা রেখেছিলেন। ২২ বলে ৩৩ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন এই দীর্ঘকায় অলরাউন্ডার।
ভারতের ফাইনালে জয়ের নায়ক এমনিতে তিলক বর্মা। ঝোড়ো অর্ধশতরান করার সঙ্গে সঙ্গে পাকিসতানের পেসারদের মনোবলই ভেঙে দিয়েছিলেন বাঁহাতি তরুণ।
এদিকে, এশিয়া কাপের ফাইনালে তো খেলেননি, এবার অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকেও ছিটকে গেলেন হার্দিক পাণ্ড্য। রিপোর্ট অনুযায়ী হার্দিকের পেশিতে চোট রয়েছে। এই চোটের জেরেই তিনি এশিয়া কাপ ফাইনালে খেলেননি। যা শোনা যাচ্ছে তাতে ৩১ বছর বয়সি ভারতীয় ক্রিকেটারকে অন্তত চার সপ্তাহ বিশ্রাম নিতে বলা হয়েছে। হার্দিক যদি সকলকে চমকে দিয়ে অত্যন্ত দ্রুত সুস্থ হয়ে মাঠে ফেরেনও, তবেও তাঁর পক্ষে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৯ অক্টোবরে ওয়ান ডে সিরিজ়ের শুরু থেকে খেলা সম্ভব নয়।