মুম্বই: দুটাে আইপিএল (IPL) মরশুমে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে সে। ভারতীয় এ দলের হয়ে, অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপেও (U19 World Cup) ব্য়াট হাতে জ্বলে উঠেছে সে। এরপরই জাতীয় দলেও ডাক চলে এসেছে। ইংল্য়ান্ড ও আয়ারল্য়ান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে সুযোগ দেওয়া হয়েছে বৈভবকে। গত আইপিএলে মরশুমে ৭৭৬ রান করেছে সে। ২৩৭ স্ট্রাইক রেটে ব্য়াটিং করেছে। কীভাবে এত ঝোড়ো ব্যাটিং করেছে বৈভব সূর্যবংশী? PTI-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাটনায় অ্যাকাডেমিতে আট বছর বয়স থেকে তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া কোচ মণীশ ওঝা এই তরুণের যাত্রা ও তার পরিবারের ত্যাগের কথা তুলে ধরেছেন। মণীশ ওঝা জানিয়েছেন যে বৈভব প্রতিদিন প্রায় আট ঘণ্টা অনুশীলন করত এবং নিয়মিত প্রায় ১০০ ওভার মোকাবিলা করত।
খুব অল্প বয়স থেকেই বৈভব কতটা অনুশীলন করত সে বিষয়ে বলতে গিয়ে ওঝা বলেন, 'দেখুন, আমরা বল গুনতাম না, সে কত বল খেলেছে, তবে আমি আপনাদের একটি ন্যূনতম ধারণা দিতে পারি। ৬০০টিরও বেশি বল খেলত বৈভব প্রত্যেক দিন। আর আমি এই বিষয় নিজেই নিশ্চিত বলতে পারছি কারণ, প্রায় ২০০-৩০০ বল আমি নিজে একাই তাকে থ্রোডাউন দিতাম। আর যখন আমি ক্লান্ত হয়ে যেতাম, তখন অন্য সাপোর্ট স্টাফরা আমাকে সাহায্য করত।'
মণীশ ওঝা আরও বলেন, 'এর মধ্যে নেট সেশনের ডেলিভারি, থ্রোডাউন ও কখনও কখনও সে বোলিং মেশিনের মুখোমুখি হতো। এই অনুশীলন সকাল ৭:৩০-এ শুরু হতো এবং চলত বিকেল ৪টা পর্যন্ত।' ছোটবেলা থেকে বৈভব কীভাবে তাঁর মা-বাবার সাপোর্ট পেয়েছে, সেই কথাও উঠে এসেছে তার ছোটবেলার কোচে মুখে
এদিকে, ভারত 'এ' ও শ্রীলঙ্কা 'এ' দলের বিরুদ্ধে ম্য়াচের পর বৈভব এবং শ্রীলঙ্কা-এ দলের মধ্যে হওয়া হাতাহাতির ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, প্রথমে বৈভব এবং শ্রীলঙ্কা দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে কিছু কথা হয়। তারপর কথা বলতে বলতে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়। উভয় পক্ষ থেকে ধাক্কা দেওয়া হয়। যদিও শ্রীলঙ্কার কিছু খেলোয়াড় বিষয়টি মিটমাট করার চেষ্টা করেন। এই সময় সূর্যাংশ শেডগেকেও তর্ক করতে দেখা যায়। তিনিও ব্যাট তুলে শ্রীলঙ্কার খেলোয়াড়দের কিছু বলেন। যদিও সেই বিষয়টি দলের সিনিয়ররা সামলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে খেলার স্পোর্টসম্য়ান স্পিরিট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অনেক।
