মুম্বই: ধীরে ধীরে ভারতীয় ক্রিকেটে পোস্টার বয় হয়ে উঠেছেন শুভমন গিল। এই বছরেই ইংল্যান্ড সফরের আগে টেস্ট ফর্ম্য়াট থেকে রোহিত শর্মা সরতেই তাঁকে দেশের নেতৃত্বভার তুলে দেওয়া হয়েছিল। আবার গত অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে আচমকাই রোহিতকে ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটের নেতৃত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। সেই গিলকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়। গত এক দেড় বছরে গিলকে অল ফর্ম্য়াট প্লেয়ার হিসেবেই বিবেচনা শুরু করেছিল নির্বাচক মণ্ডলী। যার জন্য সূর্যর ডেপুটি হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে বেছে নেওয়া হয়েছিল গিলের নাম। কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াড থেকে আচমকাই গিলকে বাদ দেওয়ার পর এবার নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আদৌ কি গিল আর টি-টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে ফিরতে পারবেন? সেই নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

Continues below advertisement

শুভমন গিলের টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে হরভজন সিংহ বলেছেন, ''এটা শুভমন গিলকে আদৌ কোনও বার্তা কিন্তু দেওয়া হয়নি। আমার মনে হয় না যে ও নিজেও ওর জায়গাটা নিশ্চিত ভেবেছিল। কারণ এখন প্রতিযোগিতা বিশাল। প্রচুর নতুন নতুন প্লেয়ার উঠে এসেছে দলে। ফলে যাঁদের ফিট মনে হয়েছে স্কোয়াডে, তাঁদেরকেই স্কোয়াডে রাখা হয়েছে।''

গিলের ফেরার কি সম্ভাবনা রয়েছে? প্রাক্তন বিশ্বজয়ী ভারতীয় স্পিনার বলছেন, ''অবশ্য়ই এটাই গিলের জন্য় শেষ সুযোগ নয়। ওর কুড়ির ফর্ম্যাটে ফেরার দরজা এখনও খোলা। গিল দারুণ একজন প্লেয়ার। অসাধারণ ওর টেকনিক। আমি নিশ্চিত দারুণভাবে প্রত্য়াবর্তন করবে ও মাঠে। আর এটাও ভুললে হবে না যে ও কিন্তু টেস্ট দলের ক্যাপ্টেনও।''

Continues below advertisement

২০২৪ সালে জুলাই মাসে শেষবার টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে সেঞ্চুরি করেছিলেন গিল। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সেই ম্য়াচ খেলেছিলেন ডানহাতি ব্যাটার। জাতীয় দলের জার্সিতে সংক্ষিপ্ততম ফর্ম্যাটে একেবারেই ধারাবাহিকভাবে রান করছিলেন না গিল। শেষ ১৫ ম্য়াচে কুড়ির ফর্ম্য়াটে গিলের ব্যাট থেকে এসেছে যথাক্রমে ২৮, ০, ৪, ২৯, ৪৬, ১৫, ৫, ৩৭, ১২, ৪, ২৯, ৪৭, ৫, ১০ ও ২০। 

কবে মাঠে ফিরবেন শ্রেয়স?

মাঠে ফিরতে চলেছেন শ্রেয়স আইয়ার? গোটা বিষয়ে অবগত বিসিসিআইয়ের এক সূত্র IANS-কে জানান, 'শ্রেয়স মুম্বই থেকে বেঙ্গালুরুতে উড়ে এসেছেন এবং তিনি সেন্টার অফ এক্সিলেন্সে রিপোর্ট করবেন। এখনও পর্যন্ত ওই ওঁ কতদিন কাটাবে সেই বিষয়ে কোনও নিশ্চয়তা নেই। মেডিক্যাল দলের হয়তো ওঁর পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে খতিয়ে দেখতে চার থেকে ছয়দিন সময় লাগবে। তারপরেই সেন্টার অফ এক্সিলেন্স ওঁর ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি নির্ধারিত করবে। ওঁ কবে সম্পূর্ণ ফিট এবং কবে ম্যাচ ফিট হতে পারবে, সেই দিনক্ষণ জানা যাবে।'