নয়াদিল্লি: অতীতে আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলেছেন। আসন্ন আইপিএলেও তাঁকে দেখা যাবে। এবারের নিলামে চেন্নাই সুপার কিংস ৪০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে তাঁকে দলে নিয়েছে। সেই ক্রিকেটারই বিজয় হাজারে ট্রফির (Vijay Hazare Trophy 2025-26) ম্যাচে ইতিহাস গড়লেন। তবে এই ইতিহাস আনন্দের নয়, লজ্জার। কার সম্পর্কে কথা হচ্ছে? তিনি পুদুচেরির অধিনায়ক তথা সিএসকের অলরাউন্ডার আমন খান (Aman Hakim Khan)।
সোমবার বিজয় হাজারে ট্রফিতে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে মুখুোমুখি হয়েছিল পুদুচেরি ও ঝাড়খণ্ড। সেই ম্যাচেই আমন ১০ ওভারে বল হাতে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ফেললেন। নিজের নির্ধারিত ওভারে মাত্র এক উইকেট নিয়ে মোট ১২৩ রান খরচ করলেন তিনি। এটি লিস্ট 'এ'-র কোনও ম্যাচে কোনও বোলারের খরচ করা সর্বাধিক রান। মাত্র সপ্তাহ খানেক আগেই অরুণাচল প্রদেশের মিবম মসু বিনা উইকেটে ১১৬ রান খরচ করেছিলেন। তবে সেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন আমন খান।
প্রাক্তন নাইট তারকার বিরুদ্ধে ঝাড়খণ্ডের হয়ে অনবদ্য ব্যাটিং করেন বর্তমান নাইট। সাম্প্রতিক সময়ে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন অনুকূল রায়। সেই তারকাই এদিন ঝাড়খণ্ডের ৫০তম ওভারে আমনের বিরুদ্ধে ছয় বলেই যথাক্রমে ৪, ৬, ৬, ৪, ৬, ৬ মারেন। দুর্ভাগ্যবশত শতরান হাতছাড়া করলেও অনুকূলের ৫৭ বলে ৯৮ রানের ইনিংস তাঁর দলকে সাত উইকেটে ৩৬৮ রান তুলতে সাহায্য করে। জবাবে মাত্র ২৩৫ রানেই গুটিয়ে যায় পুদুচেরির ইনিংস। ব্যাটিংয়ে দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর বল হাতেও দুই উইকেট নেন অনুকূল তাঁকেই ম্যাচ সেরা ঘোষণা করা হয়।
তবে যেদিন এক সিএসকে বোলার লজ্জার রেকর্ড গড়লেন, সেদিনই একই টুর্নামেন্টে জ্বলে উঠলেন আরেক সিএসকে নিউ রিক্রুট। তিনি রামকৃষ্ণ ঘোষ। সিএসকে অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের নেতৃত্বেই মহারাষ্ট্রের হয়ে খেলেন রামকৃষ্ণ। তিনি হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে সাতটি উইকেট নেন। এটি এই টুর্নামেন্টে মহারাষ্ট্রের কোনও ক্রিকেটারের সেরা বোলিং স্পেল। দুরন্ত বোলিংয়ে প্রথম মহারাষ্ট্র বোলার হিসাবে তিনি এই টুর্নামেন্টে সাতটি উইকেট নেন।
অপরদিকে, বাংলাও গতকাল দুরন্তভাবে বিজয় হাজারেতে জয়ে ফিরেছে। বঢোদরার বিরুদ্ধে আগের ম্যাচেই তাঁর পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সেই মুকেশ কুমার বল হাতে জ্বলে উঠলেন চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে। পাঁচ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হলেন। সঙ্গে ঝকঝকে সেঞ্চুরি অভিষেক পোড়েলের।