বুয়েনস আয়ার্স: দলের সবচেয়ে বড় ফুটবল তারকাই নেই। তাঁকে ছাড়াই ব্রাজিলকে ৪-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করে নিল আর্জেন্তিনা। দলে ছিলেন না লিওনেল মেসি। আগামী বছর আমেরিকার মাটিতে বিশ্বকাপের আসর বসবে। সেই আসরের যোগ্যতা নির্ণায়ক পর্বের ম্য়াচেই ব্রাজিলের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল আর্জেন্তিনা। গোটা ম্য়াচে সাম্বা বাহিনীকে একপ্রকার দাঁড়াতেই দেয়নি নীল-সাদা বাহিনী। এদিকে আর্জেন্তিনা বিশ্বকাপের ছাড়পত্র আদায় করে নিলেও, ব্রাজিল এখনও আটকেই রইল।

ভারতীয় সময় বুধবার ভোরে আর্জেন্তিনা ও ব্রাজিল মুখোমুখি হয়েছিল এই যোগ্যতা নির্ণায়ক পর্বের ম্য়াচ খেলতে। খেলার শুরুতেই ৪ মিনিটে আর্জেন্তিনাকে এগিয়ে দেন জুলিয়ান আলভারেজ। যে ঝড় শুরুতেই উঠেছিল গতবারের বিশ্বজয়ী দলের তরফ থেকে, সেই ঝড় আর থামাতে পারেনি ব্রাজিল দল। আট মিনিট পরেই ফের গোল পায় আর্জেন্তিনা। এবার দলের হয়ে ব্যবধান বাড়ান এনজো ফার্নান্দেজ।  পরপর দু গোল হজম করে কিছুটা খোঁচা খাওয়া বাঘের মত ক্ষিপ্র হয়ে ওঠে ব্রাজিল শিবির। ২৬ মিনিটের মাথায় ব্রাজিলের তরফে ব্যবধান কমান ম্য়াথিউজ কুনহা। কিন্তু প্রথমার্ধেই আরও একটি গােল করে হলুদ জার্সিধারীদের চাপ বাড়িয়ে দেন ম্য়াক অ্য়ালিস্টার। তিনি ৩৭ মিনিটের মাথায় গোল করেন। 

 

প্রথমার্ধেই ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরু হতেই কিছুটা সময় দু পক্ষই একে অপরের ডি বক্সে ঢোকার আক্রমণ করছিল। কিন্তু এই ফাঁকতালেই ৭১ মিনিটের মাথায় সিমিওনে ব্রাজিলের হয়ে চতুর্থ গোলটি করে দেন। কফিনে শেষ পেরেকটি তিনিই পুঁতে দেন। এরপর সেখান থেকে ম্য়াচ বের করা একপ্রকার অসম্ভব ছিল ব্রাজিলের পক্ষে। এই ম্যাচ জয়ের সঙ্গে সঙ্গে গ্রুপের শীর্ষে থেকেই বিশ্বকাপের মূলপর্বে পৌঁছলো আর্জেন্তিনা। ১৪ ম্য়াচে ৩১ পয়েন্ট ঝুলিতে পুরেছেন তিনি। অন্যদিকে ১৪ ম্য়াচ খেলে ব্রাজিলের সংগ্রহ এখনও পর্যন্ত ২১ পয়েন্ট। এই গ্রুপে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইকুয়েডর ও উরুগুয়ে। তাঁদের পয়েন্ট যথাক্রমে ২৩ ও ২১। 

উল্লেখ্য, আমেরিকায় আয়োজিত হতে চলা বিশ্বকাপের জন্য এখনও পর্যন্ত জাপান, আর্জেন্তিনা, নিউজিল্য়ান্ড ও ইরান এই চারটি দেশ মূলপর্বে যোগ্যতা অর্জন করেছে।