নয়াদিল্লি: বিশ্বকাপের ফাইনাল (FIFA World Cup Final) শেষ হয়েছে বেশ কিছুদিন হল। তবে বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘিরে বিতর্ক যেন থেমেও থামছে না। বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষেই প্রবল ঝামেলায় জড়ান স্পেন ও আর্জেন্তিনার (Spain vs Argentina) খেলোয়াড়রা। বিতর্কের কেন্দ্রে আর্জেন্তাইন মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেডেস। ম্যাচ শেষেই পারেডেসকে স্পেনের এরিক গার্সিয়াকে গল্লা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে দেখা যায়, ঠেলে ফেলে দেওয়া হয় গাভিকেও। এই পরে পারেডেসের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠছে। তবে এই বিষয়ে কিন্তু খোদ গাভিরই উল্টোসুর।

Continues below advertisement

ফিফার নিয়মরক্ষা কমিটির তরফে বিশ্বকাপ ফাইনালের পরবর্তী ঘটনার তদন্ত করার জন্য একজন কৌঁসুলিকে নিয়োগ করা হয়েছে। যে যে খেলোয়াড় তথা কোচেরা এই ঝামেলায় যুক্ত বলে প্রমাণিত হবেন, তাঁদের সকলকেই শাস্তি দিতে পারে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। ম্যাচশেষে স্পেনের খেলোয়াড়রা জয়ের উচ্ছ্বাসে ভাসতে শুরু করলেই নাহুয়েল মোলিনা, পারেডেস, থিয়াগো আলমাদা এবং সহকারী কোচ রবার্তো আয়েলারা ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন।

তবে এক সাক্ষাৎকারে গাভি দাবি করেন, 'ওকে নির্বাসিত করার কোনও প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে হয় না। যে বাচ্চারা খেলা দেখে, তাদের জন্য এটা আদর্শ ছবি নয়, সেটা আমি বুঝতে পারছি। তবে পাশাপাশি আমি এটাও মনে করি যে ফুটবলে এমনও একটা দিক রয়েছে যেটা শারীরিক, যেটা বেশ আগ্রাসী। ম্যাচ চলাকালীন ওকে লাল কার্ড দেখানোটাই সঠিক হত,ব্যস। তবে দিনের শেষে সবটাই ফুটবলের অঙ্গ এবং এটা এভাবেই হওয়ার ছিল।'

Continues below advertisement

বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় স্পেন অধিনায়র রদ্রি শেষ বাঁশি বাজার পরেই দলের সতীর্থদের সঙ্গে উচ্ছ্বাসে যোগ দিতে মোলিনার পাশ দিয়ে ছুটে গেলে আর্জেন্তাইন ডিফেন্ডার রদ্রিকে উদ্দেশ্য করে ঘুষি চালান। এর থেকেই ঝামেলার শুরু। এরিক গার্সিয়া তাঁর সতীর্থদের পাশে দাঁড়াতে ছুটে গেলেই ঝামেলা আরও বাড়ে। পারেডেসকে এরিক গার্সিয়াকে গলা ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিতে দেখা যায়। এরপরেই গাভিকেও আঘাত করতে দেখা যায়। ঝামেলা বাড়লে কোনওরকমে দুই দলের খেলোয়াড়দের আলাদা করা হয়।

পরবর্তীতে দাবি করা হয়েছিল এই ঘটনার জেরে ম্যাচের ৯০ মিনিট শেষ হওয়ার পরে পারেডেসকে লাল কার্ড দেখানো হয়। তবে সেই দাবি একেবারেই ভুল ছিল বলে পরবর্তীতে জানা যায়। এই ঘটনার জন্য কোনও খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে কোনও ব্য়বস্থাই নেওয়া হয়নি। তবে বিশ্বকাপ ফাইনালের পরবর্তীতে তদন্ত শুরু হয়েছিল। এরই মাঝেই গাভির এহেন মন্তব্যে চারিদিকে শোরগোল।