কলকাতা: আইএসএল শুরু হওয়ার পর থেকে বিদেশিখেলোয়াড়রাই হয়ে উঠেছেন লিগের আকর্ষণ। টুর্নামেন্টের এত বছরের ইতিহাসে প্রচুর বিদেশিপ্লেয়ার তাঁদের পায়ের জাদু দেখিয়েছেন। গত এক দশকে একাধিক বিদেশিফুটবলার শুধু যে এই লিগে ধারাবাহিক ভাবে খেলেছেন তা নয়, বরং উজ্জ্বলও হয়ে উঠেছেন এবং সফলও হয়েছেন। এঁদের মধ্যে অনেকেই অভিজ্ঞ। অনেকেই বিদেশের বিভিন্ন বড় বড় লিগ, বড় বড় ক্লাবের জার্সিতে খেলে এসেছেন। আইএসএলের ইতিহাসে যাঁরা সবচেয়েবেশিম্য়াচ খেলেছেন। তেমন প্লেয়ারদের এক নজরে দেখে নেওয়া যাক - - -
তিরি (১৫৪ ম্য়াচ)
স্প্য়ানিশডিফেন্ডারহোসে লুই এসপিনোসাআরোয়ো। যিনি মূলত তিরি নামেই পরিচিত। আইএসএলের প্রথম দিনগুলো থেকেই খেলে আসছেন। কঠিন পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা রেখে খেলে আসছেন। এটিকে ছাড়াও অন্যান্য অনেক ক্লাবের হয়ে খেলেছেন। বল পজিশন দুর্দান্ত থাকে তাঁর। মোহনবাগানসুপারজায়ান্টস, জামশেদপুরএফসি, মুম্বই সিটির হয়ে খেলেছেন আইএসএলে।
আহমেদজাহু (১৫০ ম্য়াচ)
প্রথমবার আইএসএলে নজর কেড়েছিলেনএফসিগোয়ার হয়ে। আহমেদজাহু পরবর্তীতে মুম্বই সিটি এফসি ও ওড়িশাএফসিরহয়েও দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন। মরক্কোর এই প্লেয়ার নিখুঁত পাস, বুদ্ধিদীপ্তইন্টারসেপশন এবং বল দখলে অতুলনীয় দক্ষতার অধিকারী ছিলেন। আইএসএলের মোট আট মরশুম ধরে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন ধারাবাহিকভাবে।
মুর্তাদা ফল (১৪০ ম্য়াচ)
আইএসএলেমুর্তাদা ফলের মত ডিফেন্ডার খুব কমই দেখা গিয়েছে। সেটপিস থেকে গোল করার দারুণ ক্ষমতা রয়েছে। আইএসএলে মোট ২৫টি গোল করেছেন, যা যে কোনও ডিফেন্ডারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। এফসিগোয়া, মুম্বই সিটি এফসি এবং ওডিশাএফসির হয়ে খেলার সময় তিনি দ্রুতই লিগের সবচেয়েভয়ঙ্করডিফেন্ডারদের একজন হয়ে ওঠেন। শক্তিশালী ট্যাকল ও নেতৃত্বগুণের জন্য আইএসএলেএতগুলো বছর ধরে নিজের জাত চিনিয়ে এসেছেন।
হাভিয়েহান্ডাডেজ (১২৫ ম্য়াচ)
অসাধারণ গোল, নিখুঁত অ্যাসিস্টের জন্য আইএসএলে বিখ্যাত স্প্যানিশমিডিওহাভিয়েহার্নান্ডেজ। দারুণ সব গোল করার মুহূর্ত উপহার দিয়েছেনহাভিয়েরআইএসএলের দর্শকদের। অনেক ম্য়াচেরমোড়ঘুরিয়েদিয়েছেন তিনি। এটিকে এফসির হয়ে আইএসএলে অভিষেকের পর, মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট, ওডিশাএফসি,বেঙ্গালুরুএফসি এবং জামশেদপুরএফসির হয়ে খেলেছেন।
হুগোবুমৌস (১২৪ ম্য়াচ)
হুগোবুমৌস নিজের দিনে সেরা প্লেয়ার। মোহনবাগানসুপারজায়ান্টসেরজার্সিতে প্রচুর ম্য়াচ খেলেছেন টুর্নামেন্টে। মুম্বই সিটি এফসি, ওড়িশাএফসিরজার্সিতে খেলেছেন। ঝকঝকে ড্রিবলিং, অসাধারণ ভিশন এবং শূন্য থেকে সুযোগ তৈরির ক্ষমতার জন্য পরিচিত এই ফরাসি-মরোক্কান আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার ছিলেন ফাইনালথার্ডে এক্স-ফ্যাক্টর। কেরিয়ারেবুমৌস ৩৫ গোল করেছেন ও ৩৯ টি অ্য়াসিস্ট করেছেন।
