Mohun Bagan Super Giant: কলকাতাই তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি, মোহনবাগান সমর্থকদের সঙ্গে সম্পর্ক থেকে দুর্গাপুজোর প্ল্যান নিয়ে অকপট মনবীর

ABP Ananda   |  Rishav Roy   |  04 Sep 2025 08:40 AM (IST)

Manvir Singh: ২৯ বছর বয়সি মনবীর সিংহ আইএসএলে সবুজ-মেরুন জার্সি গায়ে ১১১টি ম্যাচ খেলেছেন এবং ২৩টি গোল করেছেন। এ ছাড়াও ১৮টি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন।

মোহনবাগানের হয়ে খেলে আইএসএল শিল্ড, কাপ উভয়ই জিতেছেন মনবীর

কলকাতা: বিগত ছয় বছর ধরে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের (Mohun Bagan Super Giant) হয়ে আইএসএলের মঞ্চ মাতাচ্ছেন মনবীর সিংহ (Manvir Singh)। এতদিন ধরে সবুজ মেরুনের হয়ে খেলতে খেলতে বাংলাই এখন তাঁর বাড়ির মতো হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেন মনবীর। এই বাংলার সংস্কার, সংস্কৃতিকেও তিনি আপন করে নিয়েছেন। সম্প্রতি এমবিএসজি টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মনবীরের কথায় মোহনবাগানে তাঁর সফর থেকে দুর্গাপুজোয় তাঁর প্ল্যান, না না বিষয় উঠে এল।

২৯ বছর বয়সি ফুটবলার ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (Indian Super League) সবুজ-মেরুন জার্সি গায়ে ১১১টি ম্যাচ খেলেছেন এবং ২৩টি গোল করেছেন। এ ছাড়াও ১৮টি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি দলের সঙ্গে দু’বার আইএসএল শিল্ড এবং কাপ, দুইই জিতেছেন। এফসি গোয়ার হয়ে আইএসএল কেরিয়ার শুরু করলেও, মোহনবাগানের হয়েই নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেন মনবীর। 

তিনি বলেন, 'কলকাতায় এটা আমার ষষ্ঠ মরশুম এবং আমি এখানে নিজের বাড়ির মতো অনুভব করি। কলকাতা ভারতীয় ফুটবলের মক্কা বলেই পরিচিত। এখানে আবহটাই একেবারে ভিন্ন। যেভাবে আমাদের সমর্থকেরা প্রতিটি ম্যাচে এসে আমাদের সমর্থন করেন, তা অসাধারণ। প্রিমিয়ার লিগেও মনে হয় না এমন হয়। কলকাতার মানুষের কাছে ফুটবলটা এক উৎসব। সেই কারণেই আর পাঁচটা জায়গার থেকে কলকাতার ফুটবল সম্পূর্ণ আলাদা'।

সামনেই বাঙালির সেরা উৎসব আসছে। সেই সময়ে তাঁর কী প্ল্যান? মনবীর জানান, 'দুর্গাপুজোর সময় আমি বাইরে ঘুরতে ভালবাসি। তিন বছর আগে আমি বিশাল (কয়েথ) আর দীপক (টাংরি)-র সঙ্গে মুখে মাস্ক পরে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখতে গিয়েছিলাম। পুজো আমি ভীষণভাবে উপভোগ করি। মানুষ কীভাবে প্যান্ডেল তৈরিতে এতটা সময় ও শ্রম দেয়, তা দেখাটা অবিশ্বাস্য। এর জন্যে সুস্থ প্রতিযোগিতাও চলে'।

দেশের সেরা ক্লাবগুলির অন্যতম মোহনবাগানের হয়ে খেলার আলাদা চাপ থাকেই। তবে তিনি গোটা বিষয়টিকে ভিন্নভাবেই দেখেন। 'যখন দলের পারফরম্যান্স খারাপ হয়, সমর্থকেরা অনুশীলন দেখতে আসেন এবং আমাদের একশো ভাগ দেওয়ার জন্য উৎসাহ দেন। এটা চাপ নয়, বরং এটা আমাদের এক ধরনের প্রেরণা জোগায় বলেই আমি মনে করি। মাঠে দর্শকদের গলা ফাটানোটা আমাদের প্রচুর আত্মবিশ্বাস জোগায়, অনুপ্রাণিত করে। সমর্থকদের এই সমর্থন দেখে আমরাও সবসময় চেষ্টা করি ওদের যাতে আমরা এই ভালবাসাটা ফিরিয়ে দিতে পারি, এর মর্যাদা দিতে পারি।' মত তাঁর।

সদ্য ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের কাছে মোহনবাগানের সফর শেষ হয়। দলের এই পারফরম্যান্সে কেউই খুশি নন, বলে সাফ জানিয়ে দেন মনবীর। তাঁর স্পষ্ট কথা মোহনবাগানের হয়ে খেলা মানে প্রতিটি ম্যাচ জিততেই হবে। তিনি বলেন, 'মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এমন এক দল, যাদের কোনও ম্যাচ হারার অধিকার নেই। আমাদের প্রতিটি ম্যাচ জিততেই হবে। এমনকী, আমরা ম্যাচ ড্র করলেও সাজঘরে সকলে হতাশ হন। পরিবেশ বদলে যায়। কোনও টুর্নামেন্টে সেমিফাইনালে পৌঁছেও কেউ খুশি হয় না। মালিক থেকে ম্যানেজার, আমাদের সকলেরই একমাত্র লক্ষ্য থাকে ট্রফিজয়। আমরা আইএসএলে ধারাবাহিকভাবে ভাল করছি এবং এখন আমাদের লক্ষ্য, এএফসি প্রতিযোগিতায় ভাল পারফর্ম করা।'

Published at: 04 Sep 2025 08:40 AM (IST)
© Copyright@2026.ABP Network Private Limited. All rights reserved.