চেন্নাই: সরকারি কোনও সাহায্য পাননি। তাই চা বেচেই সংসার প্রতিপালন এবং নিজের খেলার জিনিসপত্র কেনার খরচ চালাতে হয় সোনার পদকজয়ী তামিলনাড়ুর মহিলা অ্যাথলিটকে। তামিলনাড়ুর রাজ্যস্তরের রানার এ কলাইমণি তিন সন্তানের জননী। সংসার চালাতে তাই চা বিক্রি করেন ৪৫ বছরের এই অ্যাথলিট। রাজ্য ও জাতীয় স্তরের বিভিন্ন মাস্টার অ্যাথলেটিক্স ইভেন্টগুলিতে নিয়মিত যোগ দেন তিনি। চারটি পদকও জিতেছেন। কলাইমণি বলেছেন, চা বিক্রি করে দিনে ৪০০-৫০০ টাকা আয় হয়। এই টাকা দিয়েই সংসারের খরচ ও খেলার জিনিসপত্র কেনেন তিনি। কলাইমণির আক্ষেপ, তাঁদের মতো ক্রীড়াবিদদের জন্য সরকার কোনও আর্থিক সাহায্য দেয় না। কলাইমণি তাঁর দল ফোনিক্স রানারের সঙ্গে ৪১ কিমি ম্যারাথনে যোগ দিয়েছিলেন। প্রতিদিন সকালে অনুশীলন করেন। এর অঙ্গ হিসেবে প্রতিদিন ২১ কিমি দৌড়ন তিনি। স্কুল জীবনে তিনি কবাডি ও অ্যালেটিক্সে যোগ দিতেন কলাইমণি। দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা তাঁর। কলাইমণি বলেছেন, ঋণ চেয়ে ব্যাঙ্কের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর আর্জিতে সাড়া দেয়নি ব্যাঙ্ক। তাই জাতীয় স্তরের টুর্নামেন্টগুলিতে অংশগ্রহণের জন্য বন্ধুদের কাছে হাত পাততে হয় তাঁকে।