কলকাতা: পঞ্জাবের বিরুদ্ধে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর ৯ ব্যাটার নিয়ে গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে খেলতে নেমেছিল কেকেআর। কিন্তু তাতেও কোনও সাফল্য আসেনি। ১৯৯ রান তাড়া করতে নেমে ১৫৯ রানেই শেষ হয়ে যায় নাইটদের ইনিংস। তার থেকেও বড় কথা ব্যাটিং লাইন আপে পাওয়ার প্লে তে দ্রুত রানই তুলতে পারেননি কেউ। যা নিয়ে এবার মুখ খুললেন চেতেশ্বর পূজারা। প্রথম ৬ ওভারে অন্তত ৯০ এর কাছাকাছি রান কেকেআরের বোর্ডে তোলা উচিৎ ছিল বলে মনে করেন তিনি।
গুজরাত ম্যাচে কেকেআরের সর্বাধিক রান সংগ্রাহক অজিঙ্ক রাহানে। তিনি ৩৬ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন। নিজের ইনিংসে ৫টি বাউন্ডারি ও ১টি ছক্কা হাঁকান ডানহাতি এই ব্যাটার। এছাড়া আর কোনও ব্যাটারই রান করতে পারেননি। পূজারা বলছেন, "ইডেনের এই পিচ কখনওই এমন পিচ ছিল না, যে আপনি শেষ ৫-৬ ওভারে ৭০ রানের মত তুলে দেবেন। এই পিচে রান করাটা পরের দিকে অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং। শুরুতে বোলিং কেকেআরের একেবারে ভাল হয়নি। এখানে যদি ১৮০ রানের মত লক্ষ্যমাত্রা থাকতে তবে নাইটদের জন্য ভালো হত। আর সবচেয়ে বড় কথা এত বড় রান যখন তাড়া করতে নামছে, তখন প্রথম ১০ ওভারে অবশ্যই ৯০ এর মত রান বোর্ডে তুলতে হত। আর পাওয়ার প্লে-তেও আরও আক্রমণাত্মক হতে হত।"
গিল ও সুদর্শন মিলে জুটিতে ১১৪ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তুলেছিলেন। গুজরাত অধিনায়ক ৫৫ বলে ৯০ রানের ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে সাই ৩৬ বলে ৫৫ রান করেন। কিন্তু কেকেআরের টপ অর্ডারে ক্রমাগত ব্যর্থ বেঙ্কটেশ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও চার নম্বরে নেমে ১৯ বলে ১৪ রান করে আউট হন।
এবারের আইপিএলে কেকেআরের আর বাকি ৬ ম্যাচ। তার মধ্যে পাঁচটি জিততেই হবে প্লে অফের দৌড়ে থাকতে হলে। ১১ বছরের পুরনো ঘটনা থেকে প্রেরণা খুঁজছেন নাইটদের কর্ণধার বেঙ্কি মাইসোর। বলে দিলেন, '২০১৪ মনে করুন। প্রথম সাত ম্যাচের পাঁচটিতে হেরে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে টানা ৯ ম্যাচ জিতে রেকর্ড গড়েছিলাম। আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। ২০২১ দেখুন। প্রথম সাত ম্যাচের পাঁচটিতে হেরেছিলাম। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ফাইনালে খেলেছিলাম। চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও, সেই সাফল্যকে ভুলে যাওয়া চলে না। সেবার পারলে এবার নয় কেন?'