লখনউ: হারতে হারতে একেবারে তলানিতে দল। এই পরিস্থিতিতে তাঁর নেতৃত্বে শেষ ম্য়াচে আশার আলো নিয়ে মাঠ ভরিয়েছিলেন সিএসকে সমর্থকরা। চিপকের পিচেও চেন্নাইয়ের ভাগ্য বদলায়নি। হারই সঙ্গী হয়েছিল। কেকেআরের বিরুদ্ধে লজ্জার হারের পর লখনউয়ের বিরুদ্ধে ম্য়াচে তাই দলে বদল আনতে বাধ্য হয়েছিল টিম ম্য়ানেজমেন্ট। ডেভন কনওয়ের বদলে খেলানো হয়েছিল তরুণ ভারতীয় ব্যাটার শাইক রশিদকে। বোলার জেমি ওভারটনকে খেলানো হয়েছিল একাদসে। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি।
লখনউয়ের হয়ে এদিন ওপেনিংয়ে ফিরেছিলেন মিচেল মার্শ। এইডেন মারক্রামের সঙ্গে ঘরের মাঠে আরও একটা বিধ্বংসী ইনিংস খেলার লক্ষ্যেই মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু এদিন ধোনি ভালই পিচ রিড করেছিলেন। লখনউয়ের ব্যাটাররা শুরু থেকেই কিছুটা স্লথ গতিতে ব্যাটিং করছিলেন এদিন। মারক্রাম প্রথম ওভারেই ৬ রান করে খলিল আহমেদের বলে আউট হয়ে ফেরেন। মার্শ ক্রিজে থেকে মারার চেষ্টা করলেও হাত খুলতে পারছিলেন না সিএসকের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের জন্য। শেষ পর্যন্ত ২৫ বলে ৩০ রান করে ফেরেন অজি তারকা। এবারের আইপিএলে সর্বাধিক রান সংগ্রাহক নিকোলাস পুরাণ ৯ বলে ৮ রান করে আউট হন এদিন। তবে এদিন রান পেলেন টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত অফফর্মে থাকা লখনউ অধিনায়ক পন্থ। এদিন উল্টোদিকে কেউ বড় ইনিংস না খেলতে পারলেও পন্থ প্রায় শেষ পর্যন্ত টিকে ছিলেন। ৪৯ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে চারটি বাউন্ডারি ও চারটি ছক্কা হাঁকান। ১৭ বলে ২২ রান করেন আয়ুশ বাদোনি। লোয়ার অর্ডারে ১১ বলে ২০ রানের ইনিংস খেলেন আব্দুল সামাদ।
চেন্নাই বোলারদের মধ্যে এদিন ২টো করে উইকেট নেন জাডেজা ও পাথিরানা। নিজের ৩ ওভারের স্পেলে মাত্র ২৪ রান খরচ করেন জাডেজা। অন্যদিকে পাথিরানা ৪ ওভারে ৪৫ রান খরচ করেন। একটি করে উইকেট নেন খলিল আহমেদ ও অংশুল কম্বোজ। পার্পল ক্য়াপের দৌড়ে সবার আগে থাকা নূর আহমেদ ৪ ওভারে ১৩ রান খরচ করলেও কোনও উইকেট পাননি।
আরও পড়ুন: লখনউ সুপারজায়ান্টসের বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত সিএসকের