গুয়াহাটি: বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে ডি ককের ব্য়াটিং ঝড়ে এবারের আইপিএলে নিজেদের প্রথম জয় ছিনিয়ে নিয়েছে কেকেআর। রাজস্থান রয়্যালসেক তাঁদেরই ঘরের মাঠে হারিয়ে দিয়েছে রাহানের নেতৃত্বাধীন কলকাতা নাইট রাইডার্স। ডি ককের অপরাজিত ৯৭ রানের সুবাদে ১৫২ রান তাড়া করতে নেমে ৮ উইকেট হাতে নিয়ে ১৫ বল বাকি থাকতেই ম্য়াচ জিতে যায় কেকেআর। ম্য়াচ জেতানোর সঙ্গে সঙ্গেই রেকর্ডবুকেও নাম লিখিয়ে নিলেন প্রোটিয়া তারকা উইকেট কিপার ব্যাটার। ১১ বছর আগের মণীশ পাণ্ডের রেকর্ড ভেঙে দিলেন ডি কক।

বুধবার ১৭.৩ ওভারেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল কেকেআর। আইপিএলের ইতিহাসে রান তাড়া করতে নেমে কেকেআরের জার্সিতে সর্বাধিক ব্যক্তিগত স্কোরের মালিক এই মুহূর্তে ডি ককই। এর আগে ২০১৪ আইপিএলের ফাইনালে তৎকালীন কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ৯৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন মণীশ পাণ্ডে। দলের সতীর্থের রেকর্ডই ভেঙে দিলেন ডি কক। মণীশ এই মরশুমেও কেকেআরের সঙ্গেই রয়েছেন। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও ইনিংস খেলার সুযোগ পাননি তিনি। 

রান তাড়া করতে নেমে কেকেআরের জার্সিতে সর্বোচ্চ রান

৯৭* কুইন্টন ডি কক (কেকেআর বনাম রাজস্থান, ২০২৫)

৯৪ মণীশ পাণ্ডে (কেকেআর বনাম পাঞ্জাব কিংস, ২০১৪)

৯৩* ক্রিস লিন (কেকেআর বনাম গুজরাত লায়ন্স, ২০১৭)

৯২ মনবিন্দার বিসলা (কেকেআর বনাম চেন্নাই সুপার কিংস, ২০১৩)

৯০ গৌতম গম্ভীর (কেকেআর বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, ২০১৬)

নিজের ইনিংসে আটটি বাউন্ডারি ও ছয়টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন ডি কক। নিজের ইনিংস প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বাঁহাতি উইকেট কিপার ব্যাটার বলেন, "এই দলে এটা আমার দ্বিতীয় ম্যাচ। এই ম্যাচে রান তাড়া করতে নেমেছিলাম আমরা। যা আমাদের জন্য সুবিধা হয়েছে। উইকেটে বল কেমন ব্যবহার করছে তা বুঝতে পারছিলাম আমরা।"

ডি কক এর আগের মরশুম পর্যন্ত লখনউ সুপারজায়ান্টসের হয়ে খেলেছিলেন। এবার নিলামের আগে তাঁকে ছেড়ে দেয় দল। সেখান থেকে নিলামে কেকেআর ডি কককে তুলে নেয়। তাঁরা আবার ছেড়ে দিয়েছিল ফিল সল্টকে। যিনি গত মরশুমে কেকেআরের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পেছনে অন্যতম কারিগর ছিলেন। প্রোটিয়া তারকা বলছেন, ''নতুন মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে ভাল লাগে। নতুন পরিবেশ ভাল লাগে। কখনও কোনও দলে মিশতে সময় লাগে। কিন্তু কেকেআরে সকলে আমাকে খুব আপন করে নিয়েছে। সেটা ভাল লাগছে।''