বেঙ্গালুরু: খারাপ সময় কোনওভাবেই কাটছে না রাজস্থান রয়্যালসের। একেই সঞ্জু স্যামসনকে টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোয় রাজস্থান আদৌ পাবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। অন্যদিকে একের পর এক ম্যাচ হেরেই চলেছে দল। স্যামসনের অনুপস্থিতিতে রিয়ান পরাগ দলের দায়িত্বভার সামলাচ্ছে। কিন্তু কোনও বদল নেই ফলে। আজ আরও একবার মাঠে নামছে রাজস্থান শিবির। এবার সামনে আরসিবি।
এখনও পর্যন্ত এবারের আইপিএলে আরসিবির যা ফর্ম তাতে সমর্থকরা এবার ট্রফি জয়ের স্বপ্ন দেখতেই পারেন। এখনও পর্যন্ত ৮ ম্যাচ খেলে ৫ ম্যাচেই ছিনিয়ে নিয়েছে রজত পাতিদারের দল। ব্যাটিং লাইন আপে ফিল সল্ট, টিম ডেভিডরা আসার পর থেকে টপ থেকে লোয়ার অর্ডার বেশ শক্তিশালী হয়েছে। আবার বোলিং লাইন আপে ভুবনেশ্বর কুমার, জশ হ্যাজেলউডরা পেস বিভাগকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এছাড়া স্পিনার অলরাউন্ডার ক্রুণাল পাণ্ড্যও প্রতি ম্যাচে কার্যকরী ভূমিকা নিচ্ছেন দলের সাফল্যে।
রাজস্থান রয়্যালস অন্যদিকে এখনও পর্যন্ত ৮ ম্যাচ খেলে মাত্র ২টো ম্যাচ জিতে ঝুলিতে ৪ পয়েন্টই পুরতে পেরেছে৷ পয়েন্ট টেবিলে তারা আট নম্বরে রয়েছে। আজকের ম্য়াচ থেকে বাকি ম্যাচগুলো প্লে অফের দৌড়ে টিকে থাকতে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ রাজস্থানের জন্য। এখনও পর্যন্ত আরসিবি ও রাজস্থানের মুখোমুখি মহারণে কিছুটা হলেও এগিয়ে বিরাট বাহিনীই। ৩২ বার এখনও পর্যন্ত আমনে সামনে হয়েছে দুটো দল। তার মধ্যে ১৬ বার জয় ছিনিয়ে নিয়েছে আরসিবি। অন্যদিকে ১৪ বার ম্যাচ জিতেছে রাজস্থান রয়্যালস। দুটো ম্যাচের কোনও ফল নির্ধারিত হয়নি। এই পরিস্থিতিতে আজকের ম্য়াচে জিতলে ব্যবধান কিছুটা কমাতে পারবে রাজস্থান রয়্যালস।
এবারের টুর্নামেন্টে দু দলের মুখোমুখি সাক্ষাতে জয়পুরে প্রথম ম্য়াচে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল আরসিবি। কোহলি রাজস্থানের ঘরের মাঠে অপরাজিত থেকেই দলকে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ৪৫ বলে তাঁর সংগ্রহ ছিল ৬২ রান। ১৭৪ রান তাড়া করতে নেমে ১৫ বল বাকি থাকতে নয় উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় আরসিবি। সেই ম্য়াচে আরসিবির বোলাররা প্রতিপক্ষের ৪ উইকেট ফেলতে পারলেও রাজস্থান বোলাররা তো মাত্র ১ উইকেটই ফেলতে পারলেন। জয়সওয়ালের পাল্টা অর্ধশতরান হাঁকালেন ফিল সল্ট ও বিরাট কোহলি। দুজনের অর্ধশতরানের ইনিংসের ওপর ভর করেই মূলত জয় হাসিল করে নেয় আরসিবি।
আরও পড়ুন: নীরজের প্রস্তাব প্রত্যাখান, ভারতে খেলতে আসতে কি ভয় পাচ্ছেন আর্শাদ?