নয়াদিল্লি: দুইজনেই আবেগপ্রবণ হিসাবেই ক্রিকেটমহলে পরিচিত। দুইজনেই সেই সময় ভারতীয় দলেরও অঙ্গ ছিলেন। তবে ২০০৮ সালে আইপিএলে হরভজন সিংহ (Harbhajan singh) ও এস শ্রীসন্থের (S Sreesanth) এক ঘটনা গোটা ক্রিকেটবিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের (বর্তমানে পাঞ্জাব কিংস) ম্যাচ শেষে শ্রীসন্থকে চড় মেরেছিলেন হরভজন সিংহ। আইপিএলের সবথেকে বিতর্কিত অধ্যায়গুলির মধ্যে এটি অন্যতম। এতদিন পর এবার সেই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে এল।
১৮ বছর পুরনো এই ঘটনার তেমন কোনও ভিডিও সেই সময় পাওয়া যায়নি। তবে এতদিন পর সেই ঘটনার ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, নেপথ্যে ললিত মোদি। মাইকেল ক্লার্কের এক পডকাস্টে প্রাক্তন আইপিএল চেয়ারম্যান ললিত মোদি (Lalit Modi) এই বিতর্কিত ঘটনার ফুটেজ প্রকাশ করেন, যা বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে হরভজন শ্রীসন্থকে উল্টো হাতে চড় মারছেন। ঘটনাটির পর মাহেলা জয়বর্ধনে এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কিছু খেলোয়াড় কান্নায় ভেঙে পড়া শ্রীসন্থকে শান্ত করারও চেষ্টা করেন।
এই ঘটনায় হরভজনের কড়া শাস্তিও হয়েছিল। তাঁকে সেই আইপিএলের বাকি মরশুম থেকে নির্বাসিত করা হয়। ১১ ম্যাচের নির্বাসন দেওয়া হয় তাঁকে। হরভজন দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাঁর ম্যাচ থেকে প্রাপ্ত বেতনও কাটা গিয়েছিল। সেই ঘটনার পর অবশ্য গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। কেটে গিয়েছে ১৮টি বছর।ভারতের প্রাক্তন স্পিনার এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছিলেন তিনি পারলে ও গোটা ঘটনাটিকেই তাঁর কেরিয়ার থেকে মুছে ফেলতে চান।
হরভজন নিজের ভুল স্বীকার করে শ্রীসন্থের থেকে ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছেন। পরবর্তী হরভজন ও শ্রীসন্থ, দুই ভারতীয় প্রাক্তনীকে একসঙ্গে দেখাও গিয়েছে। তবে ১৮ বছর পর সেই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ হতেই সেই কুখ্যাত ঘটনার স্মৃতি ফের একবার যেন সকলের মনে পড়ে গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, মাইকেল ক্লার্ক সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্য়মেই জানিয়েছেন তিনি ত্বকের ক্যান্সারে আক্রান্ত। প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ান বিশ্বজয়ী অধিনায়ক নিজের স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত এই খবর নিজেই জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি তিনি সকলের কাছে আর্জি জানিয়েছেন, সবাই যেন নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করিয়ে নেন।
এক ফেসবুক পোস্টে ক্লার্ক লিখেছেন, 'ত্বকের ক্যান্সার বাস্তব। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ায়। আজ আমার নাক থেকে আরও একটি কেটে ফেলা হয়েছে। বন্ধু ভেবে বলছি, নিয়মিত ত্বক পরীক্ষা করান। Prevention is better than cure কিন্তু আমার ক্ষেত্রে, নিয়মিত চেকআপ এবং প্রাথমিক শনাক্তকরণই মূল চাবিকাঠি। আমি কৃতজ্ঞ যে,@drbishsoliman_গোড়াতেই বুঝে গিয়েছিলেন।'