আমদাবাদ: আইপিএলের ফাইনালে চলে গেল রাজস্থান রয়্যালস। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্য়াঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ৭ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নিল ফাফ ডু প্লেসির দল। গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে আগামী রবিবার ফাইনালে খেলতে নামবে সঞ্জু স্যামসনের দল। বাটলারের দুরন্ত সেঞ্চুরি। এক নজরে আজকের আইপিএল হাইলাইটস -

রাজস্থান ফাইনালে, বিরাটদের হার

রজত পাতিদারের অর্ধশতরানের ওপর ভর করে প্রথমে বোর্ডে ১৫৭ রান তুলে নিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। লক্ষ্যমাত্রা ছিল মাত্র ১৫৮। বোলাররা তাঁদের কাজ করে রেখেছিলেন দারুণভাবে। বাকিটা দরকার ছিল ব্যাটারদের জ্বলে ওঠার। আর সেই কাজটা প্রায় একাই করে ফেললেন জস বাটলার। আইপিএলের শুরু থেকেই একের পর এক মারকাটারি ইনিংস। তিন তিনটে সেঞ্চুরি আগেই করে রেখেছিলেন। কিন্তু মাঝপথে তাঁর ব্য়াট হঠাৎ করেই কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিল। সমর্থক, অনুরাগীরাও হতাশ হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওই যে কথায় আছে, ওস্তাদের মার শেষ রাতে। ঠিক তেমনই হল। এদিন ১০টি বাউন্ডারি ও ৬টি ছক্কার সাহায্যে ৬০ বলে অপরাজিত ১০৬ রানের ইনিংস খেলেন বাটলার। যশস্বী জয়সওয়াল ২১ ও সঞ্জু স্যামসন ২৩ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ১৮.১ ওভারে ৩ উিকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় রাজস্থান। হর্ষল পটেলকে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে ফাইনালে তোলেন বাটলার।

বাটলারের চতুর্থ সেঞ্চুরি

২০১৬ সালে কেরিয়ারের সেরা ফর্মে ছিলেন বিরাট কোহলি। সেবার আরসিবির জার্সিতে ৪টি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন প্রাক্তন আরসিবি অধিনায়ক। একইসঙ্গে সেবার এক মরসুমে ৯৭৩ রান বোর্ডে তুলে নিয়েছিলেন কোহলি। এর মরসুমে সর্বাধিক রান করার তালিকায় বিরাটই এখনও পর্যন্ত শীর্ষে আছেন। কিন্তু এক মরসুমে সর্বাধিক সেঞ্চুরি করার তালিকায় বিরাটের সঙ্গে একই সারিতে জায়গা করে নিলেন বাটলার। ২ জনেই চারটে করে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। বাটলার এর আগে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, দিল্লি ক্যাপিটালস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। 

কলকাতা পুলিশের অভিনব পোস্ট

ইডেনে ম্যাচ দেখতে এসে অভিনব দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছেন দর্শকরা। আরসিবি বনাম লখনউ ম্যাচে গ্যালারির দর্শকরা যেন দেখতে পেয়েছিল একটুকরো ডব্লিউডব্লিউই বা বাহুবলী ছবির ক্লিপিংস। বিরাট কোহলির (Virat Kohli) সঙ্গে দেখা করতে মাঠে ঢুকে গিয়েছিলেন এক সমর্থক। তাঁকে রীতিমতো পাঁজাকোলা করে মাঠের বাইরে বের করে দিয়েছিলেন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক পুলিশকর্মী। সেই ভিডিও সোশ্য়াল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। বিরাটও অবাক হয়ে গিয়েছিলেন সেই পুলিশকর্মীর কাণ্ড দেখে। এবার কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে পোস্ট করা হল। সাধারণের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে একটি পোস্ট করা হয়েছে। কী সেই পোস্ট? সেখানে ইডেনের সেই ভিডিও ক্লিপিংসের সঙ্গে রাস্তায় ট্রাফিক রুল ভেঙে এগিয়ে চলা একটি গাড়ির ছবি পোস্ট করে লেখা হয়েছে, ''মাঠ হোক বা পথঘাট, গণ্ডি পেরোলেই বিভ্রাট!''