হায়দরাবাদ: বিধ্বংসী মেজাজে এ বারের আইপিএল (IPL 2025) মরশুম শুরুর পর চার ম্যাচে পরাজয়। লিগ তালিকায় একেবারে শেষে ছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (SRH vs PBKS)। অপরদিকে, আজকের ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ পঞ্জাব কিংস বেশ ভাল ফর্মে ছিল। তারা প্রথমে ব্যাট করে পাহাড়প্রমাণ ২৪৫ রান তুলেছিল। এই ম্যাচ জিততে আইপিএল ইতিহাসের দ্বিতীয় সবথেকে বড় রান তাড়া করে জিততে হত সানরাইজার্স। ঠিক সেটাই করে দেখাল নবাবের শহরের ফ্র্যাঞ্চাইজি। শুধু জিতলই না তাঁরা, জিতল নয় বল ও আট উইকেট বাকি রেখে। সৌজন্যে অভিষেক শর্মা (Abhishek Sharma)।

চলতি মরশুমে অভিষেক বড় রান পাচ্ছিলেন না। তাঁকে নিয়ে খানিক প্রশ্নও উঠছিল। তবে আজ রাতে উপ্পলে উঠল অভিষেক-ঝড়। আর সেই ঝড়েই উড়ে গেল পাঞ্জাব কিংস। সেঞ্চুরি হাঁকালেন অভিষেক ৫৫ বলে ১৪টি চার ও ১০ ছক্কার সুবাদে সানরাইজার্স ওপেনার খেললেন ১৪১ রানের ইনিংস। তাঁর এই ইনিংসে একাধিক ইতিহাসও তৈরি হল। কেএল রাহুলকে পিছনে ফেলে আইপিএল হিসাবে ভারতীয় হিসাবে সর্বকালের সর্বাধিক ব্যক্তিগত রানের ইনিংস খেললেন অভিষেক।

 

 

১৯ বলে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন তিনি। সেঞ্চুরি আসে ৪০ বলে। হায়দরাবাদের মাঠেও এটি দ্রুততম সেঞ্চুরি। তবে এসব হতই না যদি যশ ঠাকুর নিজের পাটা লাইনের পিছনে রাখতে পারতেন। অভিষেক বড় শট মারতে গিয়ে যশ ঠাকুরের বলে যুজবেন্দ্র চাহালকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরছিলেন। তবে তখনই বেজে উঠে বোলারদের দুঃস্বপ্নের সাইরেন। নো বল করেন যশ। জীবনদান পান অভিষেক। তিনি যে এই জীবনদান পেয়ে তা কাজে লাগালেন, তা কিন্তু বলাই বাহুল্য।

এই বিধ্বংসী ইনিংসের পর ম্যানেজমেন্টকে তাঁর ওপর আস্থা রাখার জন্য ধন্যবাদ জানান অভিষেক। পাশাপাশি তিনি যে ট্র্যাভিস হেডের সঙ্গে কথাবার্তা বলেছিলেন, সেকথাও জানান তরুণ তুর্কি। 'আমি যে ফর্মে ছিলাম, সেই ফর্মটা কোনও ক্রিকেটারের জন্যই সুখকর বা সহজ নয়। দল, অধিনায়ক এবং ম্যানেজমেন্টের কথা না বললেই নয়, আমি রান না পেলে ওরা একদম সহজ সরল পরামর্শ দিয়েছিল। ট্র্যাভিসের সঙ্গেও কথা বলেছিলাম। আমাদের দুইজনের জন্যই আজকের দিনটা বিশেষ ছিল।' বলেন তিনি।