লখনউ: মরশুমের শেষ ম্যাচ, সম্মানরক্ষা ছাড়া বাড়তি কিছু পাওনার নেই। তবে সেই ম্যাচেই জ্বলে উঠলেন ঋষভ পন্থ (Rishabh Pant)। মিচেল মার্শ (Mitchell Marsh) ও পন্থের ব্যাটিং ঝড়ে বিধ্বস্ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (LSG vs RCB) বোলাররা। নুয়ান থুসারা বাদে কেউ দাগই কাটতে পারলেন না। ২০ ওভারে তিন উইকেটের বিনিময়ে ২২৭ রান তুলল লখনউ। 

এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আরসিবির স্ট্যান্ড ইন অধিনায়ক জিতেশ শর্মা। শুরুতেই মিচেল মার্শের নতুন ওপেনিং পার্টনার ম্যাথিউ ব্রেটস্কেকে বোল্ড করে ২৫ রানেই লখনউয়ের ওপেনিং পার্টনারশিপ ভেঙেছিলেন থুসারা। তবে তাতে দমে না গিয়ে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন মার্শ ও পন্থ। বিশেষত ঋষভ শুরু থেকেই অত্যন্ত আগ্রাসী মেজাজে ব্যাটিং করেন। পাওয়ার প্লে উঠে ৫৫ রান। দেখতে দেখতেই ২৯ বলে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করে ফেলেন পন্থ। মার্শের হাফসেঞ্চুরি আসে ৩১ বলে। 

 

অর্ধশতরানের পর দুইজনে আরও দ্রুত গতিতে ব্যাটিং করতে থাকেন। তবে শেষমেশ ৬৭ রানে মার্শের ইনিংস থামান ভুবনেশ্বর কুমার। নাগাড়ে দুই ছক্কা হাঁকানোর পরেই আউট হন মার্শ। তবে আউট হওয়ার আগে কেএল রাহুলকে পিছনে ফেলে এক মরশুমে লখনউয়ের হয়ে সর্বাধিক রান (৬২৭) করার কৃতিত্ব নিজের নামে করে ফেলেন অজ়ি তারকা।

তবে সঙ্গীকে হারালেও পন্থ কিন্তু থামেননি। তিনি ৫৪ বলে নিজের শতরান পূরণ করে লখনউকে রানের পাহাড়ে পৌঁছে দিতে সাহায্য করেন। ১১৮ রানে অপরাজিত থাকেন পন্থ। নিকোলাস পুরান অবশ্য গোটা মরশুমে দুরন্ত ফর্মে বিধ্বংসী ব্যাটিং করলেও, আজ তেমন রান করতে পারেননি। ১০ বলে ১৩ রান করেন তিনি। শেষের তিন ওভারে পুরানের বড় শট মারার ব্যর্থতার ফলেই রানের গতি খানিকটা কমে। তিন ওভারে উঠে ৩৬ রান। তাতেও লখনউয়ের ঝুলিতে কিন্তু বিরাট রানের লক্ষ্য। এই বিরাট রানের পাহাড়েও চার ওভারে মাত্র ২৬ রান খরচ করে এক উইকেট নেন নুয়ান থুসারা। আরসিবির সামনে যে কঠিন লক্ষ্য, তা বলাই বাহুল্য।