দুবাই: ফিনিশার ধোনিকে নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে। শুক্রবারও যে চর্চা থামল না। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত ক্রিজে থাকলেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। তবে তাঁর দল ম্যাচ হেরে গেল ৭ রানে। পরাজয়ের পর ফের প্রশ্ন উঠল, তবে কি ফিনিশার ধোনি সত্যিই ফুরিয়ে এসেছেন? দুবাইয়ে প্রথম ব্যাট করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ তুলেছিল ১৬৪/৫। ডেভিড ওয়ার্নার, জনি বেয়ারস্টো, কেন উইলিয়ামসন, মণীশ পাণ্ডের টপ অর্ডার ব্যর্থ। তবে চেন্নাইয়ের বোলারদের বিরুদ্ধে পাল্টা লড়াই করে দলকে টানেন প্রিয়ম গর্গ (২৬ বলে অপরাজিত ৫১ রান) ও অভিষেক শর্মা (২৪ বলে ৩১ রান)। আইপিএলে প্রথম হাফসেঞ্চুরি করলেন উত্তরপ্রদেশের প্রিয়ম। পঞ্চম উইকেটে ৭ ওভারে ৭৭ রান যোগ করেন দুজনে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে চেন্নাই। ব্যাট হাতে ব্যর্থ শেন ওয়াটসন, ফাফ ডুপ্লেসি, অম্বাতি রায়ডু, কেদার যাদব। একটা সময় ৪২/৪ হয়ে গিয়েছিল চেন্নাই। সেখান থেকে ধোনি ও রবীন্দ্র জাডেজা পাল্টা লড়াই করেন। জাডেজা ৩৫ বলে ৫০ রান করে আউট হন। ধোনি ৩৬ বলে ৪৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। তবে ধোনি শুরুর দিকে ছন্দে ছিলেন না। বড় শট খেলতে ব্যর্থ হন। একটা সময় ২৭ বলে ২৪ রান করেছিলেন তিনি। পরের ৯ বলে ২৩ রান করলেও ততক্ষণে কার্যত ম্যাচ বেরিয়ে গিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে ক্যাপ্টেন কুলের কৌশল নিয়েও। সাত নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৫ বলে ১৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন স্যাম কারান। প্রথম ম্যাচেও যিনি সিএসকে-র জয়ের নায়ক। প্রশ্ন উঠছে, কেন কারানকে আরও আগে নামানো হল না। চোট সারিয়ে ফেরা ডোয়েন ব্র্যাভো বড় শট খেলতে সিদ্ধহস্ত। তাঁকে না নামানো নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়েছে। পরপর তিন ম্যাচ হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর উপায়ের পাশাপাশি এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তরও খুঁজতে হবে ধোনিকে। ২৪৬ রান করে অরেঞ্জ ক্যাপ দখলে রেখেছেন কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের ময়ঙ্ক অগ্রবাল। ৮ উইকেট নিয়ে পার্পল ক্যাপ দখলে রেখেছেন মহম্মদ শামি।