জোহানেসবার্গ: বিরাট কোহলির সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে স্যর ভিভিয়ান রিচার্ডসের। এঅন্নত এমনটাই মনে করেন ওয়েন্ট ইন্ডিজের প্রাক্তন তারকা বোলার মাইকেল হোল্ডিং। তাঁর দাবি, ভারত অধিনায়কের অনেক শেখার বাকি আছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনিও ধীরস্থির হয়ে যাবেন।
হোল্ডিং বলেন, অধিনায়ক হলেও বর্তমানে কোহলির বয়স কম। অধিনায়কত্বের পাঠ তিনি এখনও নিচ্ছেন। প্রতিদিন শিখছেন। তিনি ভীষণই আবেগপ্রবণ এবং একইসঙ্গে প্রচণ্ড আগ্রাসী।হোল্ডিংয়ের মতে, মাঝে মধ্যে তিনি এতটাই আগ্রাসন প্রকাশ করে ফেলেন যে তার ফলে কেবলমাত্র বিপক্ষ দল নয়, অনেকক্ষেত্রে নিজের দলের সতীর্থরাও প্রভাবিত হয়ে পড়েন।
এখানেই কোহলির সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি অধিনায়ক স্যর ভিভ রিচার্ডসের মিল পান হোল্ডিং। তিনি বলেন, ভিভের সঙ্গে কোহলির অনেক মিল। যখন ভিভ অধিনায়কত্বের ভার নিয়েছিলেন, তখনও পরিস্থিতি একইরকম ছিল। তারপর, ধীরে ধীরে তিনি পরিণত হন। তিনি ধীরস্থির হন, দল হয়। তারপরই ফল আসতে শুরু করে। বিরাটের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটবে বলে মনে করেন হোল্ডিং।
সদ্যসমাপ্ত টেস্ট সিরিজে প্রথম একাদশ বাছাই নিয়ে কোহলির সমালোচনা করেন হোল্ডিং। তাঁর মতে, প্রথমত ক্রিকেটারদের এখন বিভিন্ন দেশে, ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে খেলতে হচ্ছে। অনেক সময় মনে হতেই পারে যে, বিভিন্ন ধরনের পিচে ভিন্ন ভিন্ন বোলাররা সাহায্য পাবেন। পাশাপাশি, বর্তমান যুগে এত বেশি ক্রিকেট খেলা হয়, যে মাঝেমধ্যেই তাঁদের বিশেষ করে বোলারদের বিশ্রাম দিতে হয়।
হোল্ডিংয়ের মতে, এই কারণে যদি তিন টেস্টে এত পরিবর্তন করেন কোহলি, তাহলে তা অনুমান করা সম্ভব। তবে, তাঁকেও মাথায় রাখতে হবে, বারবার দল পরিবর্তন করলে আখেরে ক্ষতিই হবে। অতীতেও দেখা গিয়েছে, অনেক বড় বড় টিমও প্রথম একাদশে পরিবর্তন এনেছে। তবে, তা কখনই প্রতি ম্যাচে নয়। এতে ক্রিকেটারদের মধ্যেও অনিশ্চয়তা তৈরি হবে, যা তাঁর পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলতে পারে। সেই ক্রিকেটারের মনে হতেই পারে, একটি ম্যাচে পারফর্ম না করলে, দল থেকে বাদ দেওয়া হতেই পারে।
