নয়া দিল্লি: পাকিস্তানকে দুরমুশ করে রবিবার দুবাইয়ে ভারত জিতল সাত উইকেটে। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার প্রতিবাদে জয়ের পর ভারতীয় খেলোয়াড়রা পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত মেলাননি। টসের সময়ও পাক অধিনায়কের সঙ্গে হাত মেলাননি ভারতীয় অধিনায়ক সূর্য কুমার যাদব। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এই জয় পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলায় নিহতদের ও সেনাবাহিনীকে উৎসর্গ করেছেন ভারতীয় অধিনায়ক। আর এর পরই বিতর্কের সূত্রপাত।
ভারতের হ্যান্ডশেক বিতর্ক প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন বোলার শোয়েব আখতার। তিনি বলেছেন, ''আমি বাক্যহারা। এটা দেখে মন আমার ভারাক্রান্ত। কী বলবো বুঝতে পারছি না। ভারতকে অনেক শুভেচ্ছা। ক্রিকেট ম্যাচকে রাজনৈতিক ইস্যু করো না। আমরা ভারতের সুখ্যাতি করেছি। হ্যান্ডশেক না করা নিয়ে আমরা অনেক কথাই বলতে পারি। ঘরের ভিতরেও লড়াই হয়। ঝগড়া বিবাদ হয়। সেগুলো ভুলে এগিয়ে যেত হয়। এটা ক্রিকেট। হ্যান্ডশেক করো। শো ইওর গ্রেস।'
রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীর হ্যান্ডশেক না করার বুদ্ধি দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলানোর জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। কিন্তু ভারতের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান কারও অপেক্ষায় থাকেননি। তাঁরা সটান বেরিয়ে যান।
এদিকে, ম্যাচের শেষে পাকিস্তান শিবির থেকে একগুচ্ছ অভিযোগ জানানো হয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে। পাক শিবির থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফ্টই পাক অধিনায়ক সলমন আলি আঘাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে যেন হ্যান্ডশেক করা না হয়।
অন্যদিকে, এশিয়া কাপের এই ম্যাচ নিয়ে আগেই হয়েছিল বিতর্ক। ম্যাচ ঘিরে আছড়ে পড়েছিল সমালোচনার ঢেউ। নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যকেই হাতিয়ার করে, সোশাল মিডিয়ায় মহুয়া মৈত্র লিখেছেন, পাকিস্তানে রক্ত আর জল একসঙ্গে বইতে পারে না। কিন্তু রক্ত আর ক্রিকেট একসঙ্গে চলতে পারে। যদিও বিজেপির বক্তব্য ক্রিকেট ও কূটনীতি ২টো একেবারেই আলাদা বিষয়।