CJP Protest Withdraw | বেছে বেছে টার্গেট..., আন্দোলন প্রত্যাহার করে বড় অভিযোগ সৌরভদের

Continues below advertisement

নয়াদিল্লি :

"বেছে বেছে টার্গেট"

ব্যক্তিবিশেষে টার্গেট করা চলবে না। নাড্ডার মুখোমুখি হয়ে পেশ করা তিন দফা দাবিতে এই বিষয়টিও স্পষ্ট করেছিলেন CJP-এর প্রতিনিধিরা। তাতে সম্মতি দিয়েছিলেন নাড্ডা। জানিয়েছিলেন, কোনও রকম ভাবে পড়ুয়াদের আগামী দিনে বিপাকে পড়তে হবে না। এরপরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। আর এদিকে CJP মুখপাত্র সৌরভ দাস নিজের এক্স হ্য়ান্ডেলে পোস্ট করলেন, ব্যক্তিবিশেষে আক্রমণের কথা। তাঁর অভিযোগ, "আমাদের কাছে খবর আসছে, বিশেষ করে অসম, পশ্চিমবঙ্গ, বিহারের মতো রাজ্যগুলিতে, পড়ুয়া ও প্রতিবাদীদের টার্গেট করা হচ্ছে। আটক করা হচ্ছে। গ্রেফতার করছে রাজ্যের এজেন্সি।"

ধর্মতলায় পুনর্নিমাণ, হল তেরঙা যাত্রা 

দিল্লির বিক্ষোভের আঁচ পড়েছিল শহর কলকাতায়। মিছিল করতে চেয়ে লালবাজারের কাছে অনুমতি চেয়েছিল CJP। তবে তা মেলেনি। এরপরেই শিয়ালদা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের ডাক দেয় ৮টি বাম ছাত্র সংগঠন। তাদের সঙ্গেই জুড়ে যায় CJP। শুক্রবার সেই মিছিলের একেবারে অন্তিম পর্বে দেখা গেল রণক্ষেত্র পরিস্থিতি। ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে পুলিশ বনাম পড়ুয়া। আন্দোলনে বাধা পড়তেই বিক্ষোভকারীরা ছুড়ল জুতো, ইট, জলের বোতল। পাল্টা পরিস্থিতি সামাল দিতে কাঁদানে গ্য়াস চার্জ করল পুলিশ। নিমেষে তৈরি হল রণক্ষেত্র পরিস্থিতি। সন্ধ্যা গড়াতেই বাম ছাত্র সংগঠনগুলি ঘোষণা করল এবার ধর্মতলাতেই অবস্থান করতে চলেছে তারা। যদিও ছাত্র আন্দোলনকারীদের দাবি, আক্রমণের ঘটনার সঙ্গে তাঁদের কোনও যোগ নেই। বাইরে থেকে লোক ঢুকিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে ভাঙার চেষ্টা চলেছে। বলে রাখা প্রয়োজন, এই মিছিলেন নিগ্রহের শিকার হতে হয়েছিল সাংবাদিকদের। যার প্রতিবাদে তেরঙা যাত্রা করার হুঙ্কার দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার সেই রুটে দেশের পতাকা নিয়ে হল যাত্রা।

 

Continues below advertisement

JOIN US ON

Whatsapp
Telegram
Continues below advertisement
Sponsored Links by Taboola