আজকাল অল্প বয়সীদের মধ্যেও বাড়ছে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক হওয়ার প্রবণতা।



প্রতিদিনের জীবনে সহজ কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে পারলেই আপনি এড়াতে পারবেন হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের ঝুঁকি।



ধূমপানের অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করতেই হবে। অতএব সিগারেটকে আজ থেকে 'টাটা' বলুন সুস্বাস্থ্যের জন্য।



ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারের দিকে নজর দিন। প্রতিদিনের মেনুতে ফাইবার যুক্ত খাবারই বেশি রাখতে পারলে ভাল। ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় ফাইবার।



নিয়মিত শরীরচর্চা করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেই হবে। যত বেশি ওজন হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি তত বেশি।



শুধু চিনি নয়, নুন খাওয়ার পরিমাণও কমাতে হবে। বেশি নুন খেলে ব্লাড প্রেশার বাড়বে। সেই সঙ্গে বাড়বে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতাও।



স্ট্রেসের কারণেও কিন্তু হার্টের অসুখ হয়। স্ট্রোক কিংবা হার্ট অ্যাটাকও হতে পারে। অল্প বয়সীরা তাই যেভাবেই হোক স্ট্রেস কমান।



ডার্ক, চকোলেট, গ্রিন টি কিংবা লিকার চা খেতে পারেন অল্প পরিমাণে। এগুলি আপনার হৃদযন্ত্রের ভালভাবে খেয়াল রাখবে।



নিয়মিত ভাবে ব্লাড প্রেশার, সুগার এই দুটো চেক করাতে হবে। সামান্য উপর-নীচে হলেই সতর্ক হওয়া জরুরি। নাহলে হার্ট ফিট থাকবে না।



ব্রেকফাস্ট খাওয়া বাদ দেবেন না। অনেকেই ব্রেকফাস্ট স্কিপ করেন। কিংবা একবারে ব্রাঞ্চ করেন। এই অভ্যাস বাদ দিতে হবে হার্ট ভাল রাখতে চাইলে।