Back Button Trap : আপনি কি কখনো এমন পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন যে, কোনো একটি ওয়েবসাইট দেখার পর আপনি 'ব্যাক বাটন' টিপে আগের পেজে ফিরতে চাইছেন, কিন্তু ফিরতে পারছেন না? বদলে আপনি সেই একই পেজে আটকে থাকছেন অথবা আচমকা আপনার সামনে একগুচ্ছ বিজ্ঞাপন চলে আসছে? যদি এমনটা হয়, তবে আপনি 'ব্যাক বাটন হাইজ্যাকিং'-এর শিকার হয়েছেন।

Continues below advertisement

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের এই ভোগান্তি কমাতে এবার কোমড় বেঁধে নামছে টেক জায়ান্ট গুগল। আগামী ১৫ জুন থেকে গুগল তার নীতিমালায় বড় পরিবর্তন আনছে।

ব্যাক বাটন হাইজ্যাকিং কী ?সহজ কথায় বলতে গেলে, এটি একটি অসাধু কৌশল। কিছু ওয়েবসাইট তাদের ব্রাউজার হিস্ট্রিতে কৃত্রিমভাবে কিছু 'ম্যানিপুলেটিভ' পেজ ঢুকিয়ে দেয়। ফলে ইউজার যখন ব্যাক বাটন টিপেন, তখন তিনি আগের মূল সাইটে না ফিরে ওই ওয়েবসাইটেরই তৈরি করা লুপে আটকে যান। গুগল একে "Malicious Practice" বা ক্ষতিকারক চর্চা হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

Continues below advertisement

কেন এই কঠোর পদক্ষেপ ?গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ধরণের আচরণ ব্রাউজারের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট করে এবং ব্যবহারকারীদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর ফলে মানুষ নতুন কোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করতে ভয় পায়, যা ইন্টারনেটের স্বাভাবিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।

কী শাস্তি পেতে হবে ওই ওয়েবসাইটগুলোকে ?গুগলের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যে সমস্ত ওয়েবসাইট ইউজারদের এভাবে আটকে রাখবে, তাদের বিরুদ্ধে দুই ধরণের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে:

র‍্যাঙ্কিং কমিয়ে দেওয়া: সার্চ রেজাল্টে ওই সাইটগুলোকে অনেক নিচে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

সার্চ থেকে বাদ দেওয়া: অত্যন্ত বেশি মাত্রায় নিয়ম লঙ্ঘন করলে গুগল সার্চ থেকে ওই সাইটের অস্তিত্বই মুছে ফেলা হতে পারে।

ওয়েবসাইট মালিকদের করণীয় কী ?১৫ জুনের ডেডলাইনের আগে গুগল ওয়েবসাইট মালিকদের সতর্ক করেছে। তাদের পরামর্শ:

ব্রাউজার হিস্ট্রিতে কোনও ধরনের হস্তক্ষেপ করা যাবে না।

সাইটের টেকনিক্যাল ইমপ্লিমেন্টেশন ভালোভাবে খতিয়ে দেখতে হবে।

ইউজার যাতে অনায়াসে এক পেজ থেকে অন্য পেজে যাতায়াত করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

মনে রাখবেন, গুগলের অনেক বিষয়ে আপনি না জেনেই প্রেস করে দেন। সেই ক্ষেত্রে আপনারই সমস্য়া তৈরি হতে পারে। যা পরবর্তীকালে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে আপানাকে ভোগাতে পারে। তাই আগে কোনও শব্দ বা কমান্ডের বিষয়ে না জেনে কোনও বটনে প্রেস করবেন না।