Post Office: প্রাইভেট কুরিয়ার কোম্পানিগুলির সঙ্গে পাঞ্জা কষতে এবার মাঠে নামল সরকারি ইন্ডিয়া পোস্ট পরিষেবা (India Post)। শীঘ্রই  ২৪, ৪৮ ঘণ্টার প্রিমিয়াম 'স্পিড পোস্ট' (Speed Post) পরিষেবা দেবে কোম্পানি। তুলনামূলক কম খরচে যা আপনার জিনিস পৌঁছে দেবে দ্রুত। কবে থেকে পাবেন এই পরিষেবাবহুদিন ধরেই এই অভিযোগ ছিল সরকারি কোম্পানি ইন্ডিয়া পোস্টের বিরুদ্ধে। দ্রুত প্রিমিয়াম পরিষেবা দেয় না সংস্থা। এবার সেই দুর্নাম ঘুচতে চলেছে ইন্ডিয়া পোস্টের। বেসরকারি কুরিয়ার ও লজিস্টিক সংস্থাগুলির সঙ্গে পাঞ্জা নিতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। দ্রুত নথি ও পার্সেল পৌঁছে দিতে এবার ইন্ডিয়া পোস্টের অধীনে চালু হচ্ছে প্রিমিয়াম '২৪ স্পিড পোস্ট' এবং '৪৮ স্পিড পোস্ট' পরিষেবা।

Continues below advertisement

আগামী ১৭ মার্চ, ২০২৬ থেকে দেশজুড়ে কার্যকর হবে এই নতুন নিয়ম। কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রকের ডাক বিভাগ 'পোস্ট অফিস (দ্বিতীয় সংশোধন) রেগুলেশন, ২০২৬'-এর মাধ্যমে এই নতুন পরিষেবাগুলি গেজেট অফ ইন্ডিয়ায় বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করেছে।

পরিষেবার মূল বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী দ্রুততম ডেলিভারি: '২৪ স্পিড পোস্ট' বুক করার পরের দিনই গন্তব্যে পৌঁছে যাবে। অন্যদিকে, '৪৮ স্পিড পোস্ট' পরিষেবায় সর্বোচ্চ দু'দিনের মধ্যে ডেলিভারি নিশ্চিত করা হবে।

Continues below advertisement

মেট্রো শহরে শুরু: প্রাথমিকভাবে এই পরিষেবা দেশের ৬টি প্রধান শহর— কলকাতা, দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু এবং হায়দ্রাবাদে শুরু হবে। পরবর্তীকালে দেশের অন্যান্য শহরেও এর বিস্তার ঘটানো হবে।

স্পিড পোস্ট পার্সেল: নথি ছাড়াও ৫ কেজি পর্যন্ত ওজনের পার্সেলের জন্য থাকছে '২৪ স্পিড পোস্ট পার্সেল' সুবিধা। এই পার্সেলগুলি মূলত আকাশপথে (Air) পাঠানো হবে, তবে প্রয়োজনে দ্রুততম সড়কপথও ব্যবহার করা হতে পারে।

সুরক্ষিত ডেলিভারি: নতুন পরিষেবায় OTP-ভিত্তিক ডেলিভারি ব্যবস্থা থাকবে, যার জন্য গ্রাহককে আলাদা কোনো খরচ দিতে হবে না। এছাড়া ৫ টাকা ফি-তে (জিএসটি অতিরিক্ত) নিবন্ধীকরণ বা রেজিস্ট্রেশনের সুবিধাও মিলবে।

কারা পাবেন এই সুবিধা ?খুচরো গ্রাহকদের পাশাপাশি বিভিন্ন কর্পোরেট বা বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলিও ডাক বিভাগের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এই প্রিমিয়াম পরিষেবা গ্রহণ করতে পারবেন। পুরনো স্পিড পোস্টের মতো এখানেও বিমা, পিক-আপ এবং প্রুফ অফ ডেলিভারির মতো 'ভ্যালু অ্যাডেড' সুবিধাগুলি বর্তমান থাকবে। ডাক বিভাগের এই আধুনিকীকরণের ফলে আমজনতা এবং ব্যবসায়ীরা অনেক কম সময়ে এবং সরকারি নিরাপত্তায় তাঁদের জরুরি নথি ও পার্সেল পাঠাতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।