India US Trade Deal : আশঙ্কাই সত্য়ি হল। ফের ভারতের ক্ষতির কারণ হলেন ট্রাম্প (Trump Tariff) । এবার আমেরিকায় আমদানি করা ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President)। সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) নতুন শুল্ক হারের ঘোষণা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)।

কবে থেকে চালু হবে এই নতুন শুল্কআগামী পয়লা অক্টোবর থেকে ওষুধের উপর নতুন শুল্ক চালু করার ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রুথ সোশ্যালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, 'যতদিন আমেরিকায় ওষুধ তৈরি না করা হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত চলবে শুল্ক ।' আমেরিকার এই পদক্ষেপে চিন্তার ভাঁজ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলিতে। বাজার বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এতে সবথেকে বেশি ক্ষতি হবে ভারতের ওষুধ কোম্পানিগুলির। কারণ আমেরিকায় বর্তমানে প্রচুর ভারতীয় কোম্পানি ওষুধ রফতানি করে।

কত শতাংশ ভারতের ওষুধ যায় আমেরিকায়এই খবর প্রকাশ্য়ে আসতেই ভারতের ওষুধ কোম্পানিগুলির শেয়ারে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। যে কারণে সরাসরি এর প্রভাব পড়তে পারে ভারতের বাজারেও। কারণ, আমেরিকা ভারত থেকে মোট ৩১ শতাংশ ওষুধ আমদানি করে। নতুন শুল্ক হারের ফলে মার্কিন মুলুকে দাম বাড়বে ভারতীয় ওষুধের। ফলে আমেরিকার বাজারে কমতে পারে ভারতে তৈরি ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের চাহিদা।

ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে বলেছেন- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রোডাকশন ইউনিট তৈরি করছে এমন কোম্পানিগুলির উপর প্রযোজ্য হবে না, যা তিনি "ব্রেকিং গ্রাউন্ড" বা "আন্ডার কনস্ট্রাকশন" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। এতদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইতিমধ্যেই কারখানা রয়েছে এমন কোম্পানিগুলির উপর শুল্ক কীভাবে প্রযোজ্য হবে তা স্পষ্ট ছিল না।

Pharma Stocks Crash:  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১ অক্টোবর, ২০২৫ থেকে ব্র্যান্ডেড ও পেটেন্টযুক্ত ওষুধ আমদানির উপর ১০০% শুল্ক আরোপের ঘোষণা করার পর সান ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, লুপিন এবং অন্যান্য ভারতীয় ফার্মা স্টকগুলিতে বড় ধস নেমেছে। 

ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে, ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে যদি কোম্পানিটি ইতিমধ্যেই মার্কিন উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ শুরু করে থাকে তবে ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের উপর শুল্ক প্রযোজ্য হবে না।

“১ অক্টোবর, ২০২৫ থেকে, আমরা যেকোনো ব্র্যান্ডেড বা পেটেন্টযুক্ত ওষুধ পণ্যের উপর ১০০% শুল্ক আরোপ করব, যদি না কোনও কোম্পানি আমেরিকায় তাদের ওষুধ উৎপাদন কেন্দ্র তৈরি করে। ‘IS BUILDING’ কে ‘ব্রেকিং গ্রাউন্ড’ এবং/অথবা ‘নির্মাণাধীন’ হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে। অতএব, নির্মাণ শুরু হয়ে গেলে এই ওষুধ পণ্যের উপর কোনও শুল্ক থাকবে না,” ট্রাম্প লিখেছেন।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করে দিচ্ছেন যে এই পদক্ষেপ ভারতীয় ওষুধ রপ্তানিকারকদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে, কারণ ২০২৫ অর্থবছরে ভারতের ওষুধ রপ্তানির প্রায় ৩৫% মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ছিল, যার মূল্য ছিল ১০ বিলিয়ন ডলার, ফার্মেক্সসিল জানিয়েছে।