Continues below advertisement

Indias Economic Growth : মন্দার (Recession) দুশ্চিন্তা এখন অতীত। দ্রুত এগোবে দেশের অর্থনীতি (Indian Economy)। সম্প্রতি ভারতের অর্থনীতি নিয়ে এমনই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে দুটি বৃহৎ অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান।

কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বলছে এই কথাবিশ্বের অর্থনীতির প্রভাব পড়েছে দেশের অর্থনীতির ওপর। শেয়ার বাজার এখনও একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে ঘুরছে। এরকম একটা সময়ে ভারতের অর্থনীতির জন্য উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক খবর নিয়ে এল দুটি রিপোর্ট। যেখানে বলা হচ্ছে, দীর্ঘস্থায়ী মন্দা এখন অতীত কথা। একটি নয়, দুটি প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠানের রিপোর্ট এই দাবি নিশ্চিত করেছে। এইচএসবিসি মিউচুয়াল ফান্ডের একটি প্রতিবেদন বলছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি আগামী মাসগুলিতে গতি ফিরে পেতে পারে। 

Continues below advertisement

HSBC-র রিপোর্ট কী বলছেএইচএসবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি কারণ ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে। যার মধ্যে কম সুদের হার, বাজারে পর্যাপ্ত নগদ, অপরিশোধিত তেলের দাম হ্রাস ও স্বাভাবিক বর্ষা বড় ভূমিকা গ্রহণ করেছে। এই সব বিষয়গুলি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে চাঙ্গা করার জন্য এখন একত্রিত হয়েছে।

গোল্ডম্যান শ্যাক্স ভারত সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছেএদিকে, বিশ্বের পরিচিত ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্ক গোল্ডম্যান শ্যাক্স ভারত সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গিকে ইতিবাচক রেটিং দিয়েছে। বর্তমানে ভারতকে "ওভারওয়েট" রেটিং দিয়েছে ব্যাঙ্ক। এটি একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন, কারণ ২০২৪ সালের অক্টোবরে ব্যাঙ্ক ভারতের রেটিং "নিউট্রাল" এ নামিয়ে এনেছিল। গোল্ডম্যান শ্যাক্স এখন বিশ্বাস করে - ভারতের অর্থনৈতিক ও কর্পোরেট পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।

এই আপগ্রেডের কারণগোল্ডম্যান শ্যাক্সের মতে, ভারতকে হেভি ওয়েট বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করার মূল কারণগুলি হল নীতিগত সহায়তা, ভাল বিদেশি বিনিয়োগ, স্থিতিশীল ভ্যালুয়েশন ও কর্পোরেট আয়ের উন্নতি। ব্যাঙ্ক অনুমান করে, নিফটি ৫০ সূচক আগামী বছরের শেষ নাগাদ ২৯,০০০-এর রেকর্ড সর্বোচ্চ ছুঁতে পারে, যা বর্তমান স্তর থেকে প্রায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি।

অন্যান্য ইতিবাচক লক্ষণস্থিতিশীল আয়ের সঙ্গে বিদেশি তহবিল বৃদ্ধির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে দেশে। পাশাপাশি ২২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর জিএসটি হার হ্রাস, খরচ বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে কর্পোরেট ত্রৈমাসিক ফলাফল উন্নত হয়েছে। সঙ্গে ঋণ বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস ও শক্তিশালী মার্জিন বৃদ্ধির ফলে লাভের সম্ভাবনা বাড়িয়েছে।

এইচএসবিসি ও গোল্ডম্যান শ্যাক্সের প্রতিবেদনগুলি স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে- ভারতের অর্থনীতি গতি ফিরে পাওয়ার পথে রয়েছে। উন্নত নীতিগত পরিবেশ, বিদেশি বিনিয়োগের জন্য সাপোর্ট ও স্থিতিশীল বাজার পরিস্থিতি আগামী মাসগুলিতে প্রবৃদ্ধির গতি আরও জোরদার করতে পারে।