Baba Ramdev : ভারতীয় হকি তার হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের পথে এগিয়ে চলেছে। যার সঙ্গে এখন গাঁটছড়া বেঁধেছে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ। এখন এই যাত্রার অংশ হতে এগিয়ে এসেছে কোম্পানি। পতঞ্জলি জানিয়েছে, ভারতীয় হকি দলের সঙ্গে তাদের সাম্প্রতিক সহযোগিতা ক্রীড়া জগতে আলোড়নের সৃষ্টি করেছে। কোম্পানির মতে, এই জোট কেবল খেলোয়াড়দের শক্তিশালী করবে না, বরং জাতীয় গর্বের গভীর অনুভূতিও জাগিয়ে তুলবে।
পতঞ্জলির প্রতিষ্ঠাতা বাবা রামদেবের কোম্পানি এখন ক্রীড়া ক্ষেত্রেও সক্রিয় হয়ে উঠছে। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে, হকি দল আর্থিক সহায়তা পাবে, যার ফলে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ ও টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করা সহজ হবে।
এই জোট কীভাবে কাজ করবে ?
কোম্পানির দাবি , “পতঞ্জলি কেবল ভারতীয় হকি দলকে আর্থিক সহায়তাই দিচ্ছে না, বরং তাদের আয়ুর্বেদিক পণ্য ও স্পোর্টস সাপ্লিমেন্টও সরবরাহ করছে। এই পণ্যগুলি খেলোয়াড়দের শক্তি বৃদ্ধি করে, স্ট্যামিনা তৈরি করে ও আঘাত থেকে দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, হকি খেলোয়াড়দের পতঞ্জলির ভেষজ রস ও প্রোটিন শেক দেওয়া হচ্ছে, যা রাসায়নিকমুক্ত। এটি খেলোয়াড়দের স্বাভাবিকভাবে ফিট থাকতে সাহায্য করে। আগে, হকি দল ফান্ডের অভাব অনুভব করত, কিন্তু এখন এই গাঁটছড়া দলকে একটি নতুন দিশা দিচ্ছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে আরও ভালো পারফর্ম্যান্সের জন্য এই সাহায্য একটি বড় উৎসাহ হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে।”
একসঙ্গে আয়ুর্বেদ ও খেলাধুলা পতঞ্জলির মতে, “জাতীয় গর্বকে উৎসাহিত করা কেবল জয়ের বিষয় নয়, বরং সংস্কৃতির সঙ্গে খেলাধুলার সংযোগ স্থাপনের বিষয়ও। কোম্পানি বিশ্বাস করে- আয়ুর্বেদ ভারতীয় ঐতিহ্যের একটি অংশ, খেলাধুলার সঙ্গে এটি যোগ করে আমরা দেশের শিকড়কে শক্তিশালী করতে পারি। দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীন ভারতের প্রতীক হকি আবারও তরুণদের অনুপ্রাণিত করছে। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কেবল খেলোয়াড়রা শক্তিশালী হবে না, লক্ষ লক্ষ ভক্তও দেশপ্রেমের নতুন অনুভূতি অনুভব করবেন। সাম্প্রতিক অলিম্পিক ও এশিয়া কাপে ব্রোঞ্জ পদক আমাদের ইতিমধ্যেই গর্বিত করেছে, এখন পতঞ্জলির সহায়তায়, আমরা আসন্ন টুর্নামেন্টগুলিতে আরও ভাল ফলাফল আশা করি।”
পরিকাঠামো ও প্রশিক্ষণে সাহায্য করবেকোম্পানির দাবি, “পতঞ্জলি আগে কুস্তি ও অন্যান্য খেলাধুলার পাশে দাঁড়িয়েছে , তবে হকির সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের বিষয়টা আলাদা। কোম্পানি বলেছে- এই পদক্ষেপটি ক্রীড়া পরিকাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে করা হয়েছে। খেলোয়াড়রা প্রশিক্ষণ শিবিরের সময় আয়ুর্বেদিক থেরাপি পাবেন, যা মানসিক চাপ কমাতে ও মনোযোগ দৃড় করতে সহায়তা করবে। এটি নতুন প্রজন্মের ক্রীড়াবিদদেরও উৎসাহিত করবে।”