আলিপুরদুয়ার : ফের অফিসের ফাইল লোপাটের অভিযোগ। পঞ্চায়েতে থাকা তৃণমূল জমানার সমস্ত সরকারি নথি লোপাটের অভিযোগ উঠলো এক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যার বিরুদ্ধে। আলিপুরদুয়ারে পঞ্চায়েত দফতর থেকে এই ফাইল সরানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আলিপুরদুয়ার ২ নম্বর ব্লকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যার বিরুদ্ধে এই ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেন স্থানীয় কিছু লোক। টোটোতে করে ফাইল পাচার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ আনা হয়।                

Continues below advertisement

এই ঘটনার জেরে তদন্তে নাম পুলিশ। অভিযুক্ত স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যা দীপালি দাসের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে উদ্ধার হয় প্রচুর ফাইল। তারপরই পুলিশ গ্রেফতার করে অভিযুক্ত দীপালিকে। যদিও লোপাটের কথা অস্বীকার করেছেন তিনি। দীপালি জানান, অডিটের জন্য বাড়িতে ফাইল আনা হয়েছিল।            

কল্পনা দাস নাম এক অভিযোগকারী জানান, ''দীপালি আর রাখি আমাদের অঞ্চল থেকে সমস্ত কাগজ ভোরবেলা গিয়ে চুরি করে এনে ওর বাড়িতে রেখেছে। আমাদের যত কাগজপত্র ছিল সমস্ত কিছু তার বাড়িতে পাওয়া গেছে। আমরা প্রশাসনকে নিয়ে এসে সেই কাগজপত্র উদ্ধার করেছি। আর আমরা যখন এলাম, তখন সে আমাদের দেখে পালিয়ে গেছে। তারপর পুলিশ তাকে ধরে এনে থানায় নিয়ে যাচ্ছে। তারা আমাদের সমস্ত কাগজপত্র চুরি করেছে, চুরি না করলে তো আর কাগজপত্র সরাতে পারে না।''               

Continues below advertisement

উল্লেখ্য, বিজেপি জিততেই নবান্নের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছে। কারণ, নবান্ন-সহ বাকি সরকারি অফিসে নজরদারি চলছে। যাতে, সরকারি নথি বা ফাইল নিয়ে কেউ বেরোতে না পারেন। রাজ্যের যত সরকারি অফিস আছে, সেখান থেকে যাতে কোনও ফাইল লোপাট করা না যায়, তার জন্যই এমন পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, চিটফান্ড থেকে শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি, আরও কিছু কেলেঙ্কারি হয়েছে কি না, তা দেখার জন্য ফাইলপত্র খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। মুখ্যসচিব দুশ্যন্ত নারিয়ালার তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, 'সরকারের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ দফতর, সচিবালয় থেকে যাতে কোনও কাগজ সরানো না হয়, কোনও নথি নষ্ট না হয়, তা দেখতে হবে।             আরও পড়ুন  - বিজেপি জিততেই নবান্নে কেন্দ্রীয় বাহিনী, ব্যাপক তল্লাশি, ফাইল লোপাট, ফোটোকপি আটকাতেই নির্দেশ মুখ্যসচিবের