সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা: ম্যাপিংয়ে নেই নাম, শুনানিতে ডাক পড়ল তৃণমূল কাউন্সিলরের। SIR শুনানিতে ডাক পড়ল কামারহাটির ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বিমল সাহার। ২০০০ সাল থেকে ভোটে লড়ছি, দাবি কাউন্সিলর বিমল সাহার। ২০০২-এর ভোটার তালিকায় নাম নেই তৃণমূল কাউন্সিলরের। বুধবার শুনানিতে ডাকা হয়েছে, দাবি কাউন্সিলর বিমল সাহার।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, পূর্ব মেদিনীপুরে একদা তিনিই ছিলেন দলের কাণ্ডারী, এবার সেই শিশির অধিকারীই BJP-র মঞ্চে দাঁড়িয়ে বললেন, 'তৃণমূলে যোগ দেওয়া ভুল ছিল, ক্ষমা চাইছি..'

Continues below advertisement

আগে দেখা গেছিল যে ২০০২ এর ভোটার তালিকায় নাম নেই কামারহাটি পুরসভা তৃণমূল কাউন্সিলর বিমল সাহার। পরে খসড়া তালিকায় তার নাম উঠে। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে যে তাকে আগামী ৬ জানুয়ারি শুনানিতে ডাকা হয়েছে। শুনানির চিঠি হাতে পেয়ে হতবাক তৃণমূল কাউন্সিলর।কামারহাটি ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের  তৃণমূল কাউন্সিলর  বিমল সাহা বলেন, আমি নিজে এখন কাউন্সিলর বর্তমানে। তারপরও আমি দেখছি আমাকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হয়েছে। কোথাও জীবিত ভোটারের নাম বাদ, কোথাও মৃত ভোটার রয়ে গেছেন তালিকায়, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর এমন নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের তালিকায় মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছে, এমন ৩ জনকে শুক্রবার নিজের মঞ্চেও হাজির করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে চরমে উঠেছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এই প্রেক্ষাপটে এবার শুনানিতে ডাক পেলেন উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটির তৃণমূল কাউন্সিলর। 

 কামারহাটির ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিমল সাহা। তাঁর দাবি, ২০০০ সাল থেকে ৫ বার ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।২০১৫ ও ২০২২ সালে জিতে দু'বার কাউন্সিলর হয়েছেন। তাঁর দাবি, নিজের এবং পরিবারের কারও নাম ২০০২ এর তালিকায় নেই।বিমল সাহা আরও বলেন, ২০০২ সালে আমার ভোটার তালিকায় নাম দেখতে পেলাম না। অথচ আমি ২০০০ সালে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলাম। কিন্তু গতকাল আবার দেখছি নির্বাচন দফতর থেকে আমাকে একটা হিয়ারিংয়ের চিঠি ধরিয়ে দিয়েছে এবং এই হিয়ারিংয়ের চিঠি ধরাতে আমি আবার একটা দুঃশ্চিন্তার মধ্যে পড়লাম। এবং বারবার কেন নির্বাচন দফতর এধরনের খামখেয়ালির মতো করছে? যতদূর যেতে হয় এর জন্য আমি যাব।' এর আগে হুগলির ডানকুনিতেও খসড়া তালিকায় গরমিল ধরা পড়ে। সেখানে আবার তৃণমূল কাউন্সিলরকে খসড়া ভোটার তালিকায় মৃত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।