উত্তর ২৪ পরগনা: গাইঘাটার স্কুলে BLO-দের আটকে রেখে বিক্ষোভ। 'স্কুল ছেড়ে যাওয়া যাবে না SIR-এর কাজে'। BLO-র কাজে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা, দাবি অভিভাবকদের। স্কুলে BLO-দের তালা বন্ধ করে রাখলেন অভিভাবকরা। স্কুলে মোট ৩ জন শিক্ষক, ৩ জনই BLO-র দায়িত্বে।

আরও পড়ুন, 'বাবার নামে ভুল..', ফের SIR-আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগ ! শোকের ছায়া পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে 

মঙ্গলবার থেকেই, জোরকদমে শুরু হয়ে গেল ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের প্রথম পর্বের কাজ। দিনের শুরুতেই, কলকাতা থেকে জেলার একাধিক জায়গায় বাড়ি বাড়ি পৌঁছে গেলেন বুথ লেভেল অফিসারেরা। ভোটার তালিকা সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্নের জবাবও দিলেন তাঁরা।কোথাও ভোটারের ঘরে ঝুলছে তালা। কারোর মনে অজস্র প্রশ্ন। SIR নিয়ে আশা-আশঙ্কার দোলাচলের মধ্য়েই, মঙ্গলবার সকাল থেকে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে গেলেন বুথ লেভেল অফিসারেরা । শুরু হয় ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের প্রথম পর্বের কাজ। জোড়াবাগান, কসবা, কামারহাটি। বজবজ, সিঙ্গুর, কোচবিহার, বাঁকুড়া-কলকাতা থেকে জেলা, সর্বত্র দেখা গেল প্রায় একই ছবি। কলকাতার জোড়াবাগানের একাধিক এলাকায় বাড়ি বাড়ি গেলেন বুথ লেভেল অফিসারেরা। খতিয়ে দেখলেন একাধিক নথি। BLO শুভব্রত মিত্র বলেন, দুটো পরিস্থিতি। যাদের বাবা-মার নাম আছে, যার দুজনেরই আছে। যার কিছুনেই, তার কিছু করার নেই। কখন নথি লাগবে আর কোথায় লাগবে না। 

 জোড়াবাগানের এক বাসিন্দা বলেন, দেখুন আমাদের এখানে দুজন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী কাজ করেছে, তারা এখানে থাকে না, এসব ব্যাপারে সহযোগিতা করেছেন।এরই মধ্যে, জোড়াবাগানের হরলালদাস লেনে আবার বুথ লেভেল অফিসারের সঙ্গে প্রায় ভোটারের ঘরে ঢুকে যেতে যাচ্ছিলেন তৃণমূলের এক বুথ লেভেল এজেন্ট। চোখে পড়তেই, সে কাজে বাধা দেন খোদ BLO.আবার এই এলাকাতেই একটি বাড়িতে তালা ঝুলতেও দেখা যায়..বাড়িতে কেউ না থাকলে কী করণীয়, তাও বুঝিয়ে বলেন বুথ লেভেল অফিসার। জোড়াবাগানের পাশাপাশি কামারহাটিতেও, ঘরে ঘরে ফর্ম হাতে পৌঁছে যান বুথ লেভেল অফিসারেরা। তালিকায় বাবা-মার নাম না থাকলে কী হবে? থাকলে কী হবে? ভোটারদের মনে অংসখ্য প্রশ্নেরও জবাব দেন কর্তব্যরত BLO-রা। কসবার ১৭৬ নম্বর পার্টেও। দেখা যায় একই ছবি, ১৭৬  নম্বর বুথ BLO অমিতাভ বসু বলেন, এই মুহূর্তের কাজ খুব সিম্পল, দুটোই তিনি ফিলআপ করবেন। ছবি সহ পেস্ট করে পরে ওদের সুবিধামতো অনেকে জানেন পুরোটা জানেন না, পরব্রতীকালে তাদের থেকে জমা নেব সবটা। শহর বাদে একাধিক জেলাতেও পরিস্থিতি খানিকটা একই। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজের ২১৬ নম্বর বুথেও বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যান বুথ লেভেল অফিসারেরা।