কলকাতা:লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ব্যাখ্যা পর্যবেক্ষকের। 'কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী বলছেন জানি না, নথি থাকলে অসুবিধে নেই। শুনানিতে নথি দিয়ে ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে, অসুবিধে নেই। কোথাও কোথাও অশান্তির খবর এসেছে, কিন্তু সব জায়গায় নয়', লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে ব্যাখ্যা স্পেশাল রোল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্তর। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, "আজ সুভাষচন্দ্র বসু বেঁচে থাকলে, তাঁকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হত?", নেতাজির জন্মদিনে বড় প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রীর

Continues below advertisement

মূলত মুখ্য়মন্ত্রী   মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেছেন," ১ লক্ষ ৩৮ হাজার মানুষকে ডেকেছেন। তার আগে ৫৮ লক্ষ বাদ দিয়েছেন। একতরফাভাবে। মোট সংখ্য়াটা প্রায় ২ কোটি মনে রাখবেন। ৭ কোটি মানুষের মধ্য়ে যদি ২ কোটি বাদ চলে যায়, কত মানুষ অধিকার হারায়? " স্পেশাল রোল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত এদিন বিশেষ সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দক্ষিণবঙ্গে কোনও কোনও জায়গায়, এরকম অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। উত্তরবঙ্গেরও দুয়েক জায়গায় পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু আমি যেসব জেলায় ঘুরেছি, কোচবিহারে-আলিপুরদুয়ারে, জলপাইদুয়ারে, মালবাজার সাব ডিভিশনে, এই সব জায়গায় কোনও অশান্তি দেখিনি। 

প্রশ্ন: কিন্তু এই রাজ্যের ক্ষেত্রে কেন এটা লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি করা হল ?

স্পেশাল রোল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত: এটা ইলেকশন কমিশনই বলতে পারবে। কারণ ডেটাবেস তাঁদের কাছে। আমাদের এখানে একটা বড় সমস্যা, আমরা দেখতে পাচ্ছি। লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির মধ্যে ৫ রকম ভাগ আছে। 

প্রশ্ন: মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, ২ কোটির বেশি মানুষের নাম বাদ যাবে, কী বলবেন  ?

স্পেশাল রোল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত: এটা উনি কীভাবে বলছেন, আমি বলতে পারব না। নোটিশ এখনও অবধি দেওয়া হয়েছে, ৩২ আনম্যাপড, প্রায় ১ কোটি যেটা লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি। এবং আনম্যাপড যারা, তাঁদের মধ্যে একটা হয়তো যারা লিঙ্কেজ প্রমাণ করতে পারবেন না, বা যাদের কাছে কোনও না কোনও নথি থাকবে না, তাঁরা বাদ যেতে পারেন। কিন্তু লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির কেসে, যদি কোনও ব্যাক্তি ওই ভুলটা ধরিয়ে দিতে পারেন, বা ভুলটা কেন হয়েছে, দেখিয়ে দিতে পারেন, সেক্ষেত্রে তাঁদের নাম বাদ যাওয়ার কিছু নেই। যেহেতু ১ কোটি এবং ৩২ লক্ষ -এই হচ্ছে টোটাল, আরে অঙ্কের হিসেবে এটা এই সংখ্যার বেশি তো হতেই পারে না। 

নির্বাচন কমিশনের এখনও পর্যর্ন্ত নির্ঘণ্ট অনুযায়ী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। তখনই বোঝা যাবে কতজনের নাম থাকল, আর কতজনের গেল! এসআইআর আতঙ্কে ইতিমধ্য়েই একাধিক মৃত্য়ুর অভিযোগ উঠেছে! তা নিয়েও ফের মুখ খুলেছেন মুখ্য়মন্ত্রী!মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেন, ১১০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছেন। রোজ ৩-৪ জন করে আত্মহত্য়া করছেন ভয়ে। মারা যাচ্ছেন, কেন নির্বাচন (কমিশনের) বিরুদ্ধে কেস হবে না? এত মৃত্য়ুর দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারকে নিতে হবে। পার্টির নাম আমি নাই বা বললাম। হাসপাতালে আজও মৃত্য়ুর সঙ্গে লড়াই করছে আরও ৪০-৪৫ জন। এদের জীবন, জীবন নয়?

 মুখ্য় নির্বাচন জ্ঞানেশ কুমার একদিকে যখন প্রায় প্রতিদিনই তৃণমূলের নিশানায়, তখন তাঁকে ছেড়ে কথা বলছেন না বিজেপির রাজ্য় সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও! বিজেপির রাজ্য সভাপতি  শমীক ভট্টাচার্য বলেন,জ্ঞানেশ কুমার দিল্লিতে বসে থাকলে হবে না।  মুর্শিদাবাদে যান, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় যান,বীরভূমে যান। কলকাতার রাজপথে হাঁটুন। এখানকার সুশীল সমাজের সঙ্গে কথা বলুন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। মেট্রো রেলে একবার উঠে ঘুরুন। মানুষ কী বলছে, মানুষের কী দাবি, মানুষের কী কণ্ঠস্বর- সেটা শুনতে হবে।