কলকাতা: SIR-শুনানির মধ্যেই BLO-দের ইস্তফা, কটাক্ষ শুভেন্দুর। 'এভাবে SIR-র কাজ থেকে পদত্যাগ করা যায় না। কাজ করার ইচ্ছে না থাকলে চাকরি থেকেই ইস্তফা দিতে হবে', BLO-দের গণইস্তফা নিয়ে পাল্টা কটাক্ষ বিরোধী দলনেতার।
এসআইআর শুনানি পর্ব চলাকালীন হাওড়ায় ইস্তফার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন সতেরো জন বিএলও। বুধবার ডোমজুর বিডিও অফিসে গিয়ে বাঁকড়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭ জন বিএলও ইস্তফার ইচ্ছা প্রকাশ করে চিঠি দেন। যদিও ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার জানিয়েছেন তাঁরা কেউই ইস্তফা পত্র দেননি। SIR-এর শুনানিতে বিভিন্ন জায়গা থেকে সামনে আসছে সাধারণ মানুষের হয়রানির অভিযোগ। লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বয়স্ক এবং অসুস্থদের। এই আবহে এবার হাওড়ার বাঁকড়ায় একসঙ্গে ইস্তফার ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন ১৭ জন BLO.এই মর্মে ERO-র কাছে গিয়ে চিঠি দিয়েছেন তাঁরা। ইস্তফার ইচ্ছা প্রকাশ করে যে চিঠি তাঁরা দিয়েছেন, তাতে লেখা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের অমানবিক, অযৌক্তিক কার্যকলাপের জন্য তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্য তলানিতে। সেখানে আরও লেখা হয়েছে, কমিশনের স্বৈরাচারী, মর্জিমাফিক মনোভাবকে তাঁরা সম্পূর্ণরূপে বয়কট করছেন। BLO তারিক আজিজ লস্কর বলেন,ভোটাররা BLO-দের ওপর ক্ষুব্ধ। তাঁরা নানা রকম কটূকথা বলছে। আমরা সোসাইটিতে কোণঠাসা হচ্ছি। আমাদের গ্রহণযোগ্যতা হারাচ্ছে। আমরা বাঁকড়া ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৪০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত ১৭ টা পার্টের ১৭ জন BLO আজকে বিডিও স্যরের মাধ্যমে আমরা ERO স্যরের কাছে ইস্তফা দিচ্ছি।"
BLO সুস্মিতা মাইতি শাসমল বলেন, "ইস্তফা দিচ্ছি কারণ আমরা লজিক্যালগুলোকে সাবমিট করছি, আমার ১৭৩-এ এসেছিল। ২৭৩ টা এসেছিল। তার মধ্যে আমি শনিবারে ১২টা বাজতে সবগুলোকে সাবমিট করে দিয়েছি। সেইগুলো আবার হিয়ারিংয়ে চলে এসেছে। ভোটাররা তো আমাদেরকে বলছে। এনাদের কাছে তো আসছে না কেউ।" যদিও এই নিয়ে ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার বা DEO জানিয়েছেন, BLO-রা এসেছিলেন। তাঁরা BDO-র সাথে কথা বলে বেরিয়ে যান। কোনও ইস্তফা পত্র BLO-রা দেননি।