ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বীরভূম: নদিয়ার কল্যাণী থেকে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণের মধ্যেই এবার বীরভূমে ফের বিস্ফোরক উদ্ধার। ১৬ হাজার কেজির পরে এবার ৩০০ কেজি বিস্ফোরকের হদিশ। সুলতানপুরে নাকা চেকিংয়ের সময় ৬০ বস্তা বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।  বীরভূম-ঝাড়খণ্ড সীমানায় নলহাটি পুলিশের নাকা চেকিংয়ের সময় ৩০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বাজেয়াপ্ত করা হয়।             

এই ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  ঝাড়খণ্ডের দুমকায় প্রচুর বিস্ফোরক নিয়ে যাওয়ার সময় তল্লাশি হয়। কী কারণে এত বিস্ফোরক নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল? তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে।               

এর আগে প্রায় ১৬ হাজার কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার হয়েছিল বীরভূমের রামপুরহাটে। পুলিশ সূত্রে খবর, তেলঙ্গানার সাঙ্গারেড্ডি জেলা থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক বেআইনিভাবে ঝাড়খণ্ডের দেওঘরে পাচার করা হচ্ছিল। ঘটনায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা NIAকে দিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। তৃণমূল পাল্টা বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে। 

আরও পড়ুন, ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে উড়ল সোনার দোকান, ছিটকে গেল জিনিসপত্র! তুমুল আতঙ্ক বারাসাতে

তেলঙ্গানা থেকে ঝাড়খণ্ড নিয়ে যাওয়ার পথে রামপুরহাটের মনসুবা মোড়ে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে ট্রাক আটকায় পুলিশ। বাজেয়াপ্ত করা হয় ৩২০ ব্যাগ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। পুলিশ সূত্রে খবর, তেলঙ্গানার সাঙ্গারেড্ডি জেলা থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক বেআইনিভাবে ঝাড়খণ্ডের দেওঘরে পাচার করা হচ্ছিল। ব্যাগের ওপর ব্যাচ নম্বর মুছে ফেলা হয়েছিল। অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধারের ঘটনায় ট্রাকের চালক-খালাসি-সহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছিল রামপুরহাট থানার পুলিশ।                       

এদিকে দু দিন আগেই পরপর বোমাবাজিতে কেঁপে উঠেছে বীরভূমের কাঁকরতলা। বোমার আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছে একজন। স্থানীয় বাসিন্দাদের একটা অংশ বলছে, বালি খাদানের টাকার ভাগ নিয়ে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষেই কাঁকরতলায় বোমাবাজি হয়। বিজেপির অভিযোগ, এই সংঘর্ষের নেপথ্যে রয়েছে অনুব্রত মণ্ডল ও কাজল শেখের অনুগামীদের লড়াই। যদিও তৃণমূলের দাবি, গোটাটাই দুষ্কৃতীদের লড়াই। বোমাবাজির ঘটনায় ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ।              

আপনার পছন্দের খবর আর আপডেট এখন পাবেন আপনার পছন্দের চ্যাটিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটস অ্যাপেও। যুক্ত হোন ABP Ananda হোয়াটস অ্যাপ চ্যানেলে