কলকাতা: দিল্লি থেকে ফেরার পর, দুর্গাপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভায় আমন্ত্রণ পেলেন দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরে পৌঁছচ্ছেন বিজেপি নেতা। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সভামঞ্চে থাকার কথা দিলীপ ঘোষের।
গত ২৯ মে রাজ্যে এসে আলিপুরদুয়ারে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ডাক পাননি দিলীপ ঘোষ। এমনকী, ৩ জুলাই দলের নতুন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণের অনুষ্ঠানেও দেখা যায়নি দিলীপ ঘোষকে। এরপর শমীক ভট্টাচার্যর সঙ্গে বৈঠক হয় বিজেপি নেতার। এরপরই দিল্লিতে যান দিলীপ ঘোষ। ফিরে এসেই এবার প্রধানমন্ত্রীর দুর্গাপুরের সভায় আমন্ত্রণ পেলেন বিজেপি নেতা।যদিও দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া, 'এখনও দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।' এদিকে ১৭ তারিখ দুর্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেবেন বিজেপির এই বর্ষীয়ান নেতা। তবে দুর্গাপুরে দিলীপ গেলেও, মঞ্চে থাকবেন কিনা, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা।
অপরদিকে আরও একটা বড় ইস্যু হল, সম্প্রতি দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দেখা গিয়েছিল দিলীপ ঘোষকে। এরপরেই দলেরই একাংশের আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছিল বিজেপির এই বর্ষীয়ান নেতাকে। তারপরেই জল্পনা ছড়ায় তবে কি দিলীপ ঘোষকে কি একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে দেখা যাবে ? যদিও তা নিয়ে স্পষ্ট উত্তর দিয়েছেন ইতিমধ্যেই শমীক সাক্ষাৎ এর পর। দিলীপ ঘোষের স্পষ্ট জবাব, দেখুন রাজনীতিতে ধারণা তৈরি করা, এটা একটা বড় অস্ত্র। পশ্চিমবাংলার রাজনীতিতেও চলছে। আমার মনে হয়, বিজেপির কর্মীরা যাদের মনের মধ্যে একটু দোলাচল এসেছিল, একটা আশঙ্কার মেঘ ছিল, সেটা কেটে যাবে। এবং তাঁরা একসঙ্গে মিলিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের পরিবর্তন করবে। আমরা জল্পনা, কল্পনায় বিশ্বাস করি না। আমরা বাস্তবে বিশ্বাস করি। আমি স্লোগান দিয়েছিলাম উনিশ সালে। উনিশে হাফ। একুশে সাফ। একুশে সাফ হয়নি, যেটা বেঁচে গেছে, ছাব্বিশে সাফ।'
প্রসঙ্গত, সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, আগামী ১৮ জুলাই, অর্থাৎ শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে আসবেন। এখান থেকে তার বিহার যাওয়ার কথা নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার জন্য। ইতিমধ্যেই রাজ্য নের্তৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল দিল্লি থেকে। সেখানে যেটা জানানো হয়েছে যে, বিমানবন্দরের আশেপাশে একটা সভা তিনি করতে চান। সড়কপথে সভা সেরে, আার তিনি বিহার চলে যাবেন। সেই অনুযায়ী রাজ্য নের্তৃত্বের সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, জনসভা করা হবে আঘামী ১৮ তারিখ দমদমে। দুটো মাঠ পছন্দ হয়েছে তাঁদের। যেকোনও একটা মাঠ চূড়ান্ত করা হবে। যেটা তাৎপর্যপূর্ণ, ২১ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মসূচি রয়েছে। আর ২১ জুলাইয়ের দুদিন আগে, রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।