সোমক লাহিড়ি, মালদা : BSF-র তাড়ায় বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা বানচাল। মালদা সীমান্ত হয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা বানচাল করল BSF। শুখদেবপুরে বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা। BSF-এর সঙ্গে স্থানীয়দের তাড়ায় পালাল অনুপ্রবেশকারীরা। মালদায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে প্রায় ১২০০ মিটার কাঁটাতারহীন। কাঁটাতার না থাকার সুযোগ নিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, রুখল BSF. 

Continues below advertisement

বিএসএফ সূত্রে খবর, মালদার বৈষ্ণবনগর থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বেআইনি ভাবে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন বেশ কিছু মানুষ। তা নজরে আসতেই সেখানে যায় বিএসএফ- এর টিম। এগিয়ে যান স্থানীয়রাও। বিএসএফ এবং গ্রামবাসীদের তাড়া খেয়েই পালাতে থাকেন অনুপ্রবেশকারীরা। 

Continues below advertisement

অন্যদিকে, রাজ্যের হাতে এল পেট্রাপোল সীমান্ত থানা। ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার থেকে রাজ্যকে হস্তান্তর। ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার সচিবের থেকে হস্তান্তর। রাজ্য পুলিশের হাতে সীমান্তের থানা তুলে দিল LPAI ৯ মে, ২০২৩- পেট্রাপোল থানার উদ্বোধন করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তৎকালীন তৃণমূল সরকারের আপত্তিতে আটকে ছিল হস্তান্তর। 

মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্যের নতুন সরকার তথা বিজেপি সরকার। সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য ৪৫ দিনের মধ্যে BSF- কে জমি হস্তান্তর করতে হবে, এই সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে। বৈঠক শেষে এমনটাই জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ- এর যতটা জমি প্রয়োজন, ততটাই স্থানান্তর করা হবে। সেই মতোই কাজও হয়েছে। 

বোলপুরের পর সিউড়ি পুরসভা, আবারও ইস্তফা চেয়ারম্যানের, দু'ক্ষেত্রেই কারণ 'শারীরিক অসুস্থতা' 

সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে এবং সীমান্তের সুরক্ষার্থে তৎপর পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। এর আগে বহুবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের মুখে পূর্বের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ-বিক্ষোভ, অভিযোগ শোনা গিয়েছে সীমান্তে বিএসএফ-কে জমি দেওয়ার প্রসঙ্গ নিয়ে। এবার পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই তাই এই বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যান্যরা। ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ- এর প্রয়োজনীয় পরিমাণ জমি হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। 

এর আগে একাধিকবার রাজ্যে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন যে তৎকালীন সরকার বিএসএফ- কে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তরের ব্যাপারে অসহযোগিতা করছে। আর এর জেরে যে সীমান্ত অরক্ষিত হয়ে পড়েছিল, অনুপ্রবেশ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছিল, সীমান্ত সুরক্ষিত ছিল না - তা স্পষ্ট। মালদার ওই অংশেও কাঁটাতার না থাকার সুযোগেই অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা হয়েছিল বাংলাদেশ থেকে। তবে সফলভাবে তা রুখে দিতে পেরেছে বিএসএফ।