কলকাতা: আজ মহাঅষ্টমী। শহরজুড়ে চারিদিকে মানুষের ঢল নেমেছে। এদিন সুরুচি সঙ্ঘের পুজোয় সপরিবারে উপস্থিত হলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ।

Continues below advertisement

এদিন এপিবি আনন্দ এর মুখোমুখী হয়ে তিনি বলেন, 'প্রথমে এখানে এলাম। এরপর আমি যতটা সম্ভব হবে, এলাকার পুজোগুলি দেখার চেষ্টা করব। খুবই সুন্দর লাগছে।.. খুবই আনন্দের মনে হচ্ছে। এই যে চিত্রকলা শিল্পী, যে সৃষ্টিশীলতার মধ্য দিয়ে পুরো ইতিহাসকে তুলে ধরেছেন, এটা সত্যিই খুব প্রশংসনীয়। মায়ের প্রতি আমাদের আরাধনা, আমাদের বিশ্বাস, এটা আমাদের অন্যরকম মেসেজও দেয়।  সবসময় সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, ভালবাসা, বন্ধুত্বের বার্তা এই দুর্গাপুজোর মাধ্যমে আমাদের কাছে আসে। এত মানুষ আজ এখানে আসছেন, সকলকেই আজ আমি মহাঅষ্টমীর শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এবং আমাদের পুজোরদিনগুলি খুব আনন্দের হোক, এটাই আমি বিশ্বাস করি, আস্থা রাখছি।'

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ভোরে মঙ্গলারতি দিয়ে শুরু, বেলুড় মঠ-সহ আজ মহাঅষ্টমীতে একাধিক জায়গায় কুমারী পুজোর আয়োজন

পুজোর দিনগুলিতে শাসকদলের হেভিওয়েটদের নিজেদের পুজোগুলিতে সাড়ম্বড়ে আয়োজন করতে দেখা গিয়েছে। সুরুচি সঙ্ঘের পুজোয় সম্প্রতি তৃণমূল নেতা দেব-সহ আরও একাধিক জন উপস্থিত হয়েছেন। সহসা পুনরায় দলে ফিরতে চাওয়া শোভন-বৈশাখীকেও দেখা গিয়েছে এই পুজোয়।  দেব বলেছেন, প্রত্যেক বছরই আসা হয়। এবং আজকে এই পুজোর থিমটাও দারুন। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের উৎস্বর্গ করে...যখন ওরা পুজো প্যান্ডেলের থিম বানায়, আমার মনে হয়, শুধু বাংলার মানুষ নয়,পৃথিবীর মানুষ তাঁরা জানেন যে, সুরুচি সংঙ্ঘর পুজোটা, এবং এই পুজো নিয়ে ক্রেজতো একটা থাকেই। যবে থেকে উদ্বোধন হয়েছে, তবে থেকে মানুষের ঢল আসছে..ঠাকুর দেখছে, ছবি তুলছে। এটাই ভাল লাগা।..অন্যথায় আপনার চ্যানেলে দেখেই পুজোটা কেটে যায়। পুজোর প্যান্ডেলটা অনেক সময় নিউজ চ্যানেলে দেখে মনে হয়, যে আমরা দেখে নিই যে, কোথায় সবথেকে ভাল প্যান্ডেল, কোথায় বেশি আলোচনা হচ্ছে, কোথায় প্রতিমাটা ভাল ? এগুলি আমার মনে হয়, আজকের দিনে নিউজ চ্যানেল দেখেই হয়ে যায়। '

অপরদিকে,  সুরুচি সঙ্ঘের পুজোয় জমকালো সাজে দেখা যায় শোভন-বৈশাখীকে। গোলাপী পাঞ্জাবী পরে এলেন শোভন। এবং সঙ্গে মানানসই সাজে বৈশাখী। সুরুচি আর রুচির মধ্যে একটা সমণ্বয় হয়, সেটা অরূপ, রূপ দিয়ে ফুটিয়ে তোলে।আমি আন্দামান গিয়েছিলাম। আপনারা জানেন যে, সেলুলার জেলের একটা অংশ অলরেডি সমুদ্রে..।এখানে ঢুকলে অনেকটা সেলুলার জেলের মতো ফিলিংস আসে।..তো এটা সেলুলার জেল নয়। এখানে চিন্তাভাবনায় জেলের মধ্যে যে একটা স্বাধীনতা আন্দোলনের বিভিন্ন দিক যেভাবে তুলে ধরেছে, সেটা অভাবনীয়।'