কোচবিহার : আজ কোচবিহারে শুভেন্দু অধিকারীর কর্মসূচির পাল্টা তৃণমূলের। বিরোধী দলনেতার যাত্রাপথে ১৯টি জায়গায় NRC-র বিরোধিতায় প্রতিবাদ। কোচবিহারের পথে শুভেন্দুর কনভয় লক্ষ্য করে TMCP-র স্লোগান। জলপাইগুড়িতে শুভেন্দুর কনভয় বেরিয়ে যেতেই গোবর-জল দিয়ে রাস্তা সাফাই TMCP-র। নিউ কোচবিহার স্টেশনের কাছে কালো পতাকা নিয়ে জমায়েত। কালো পতাকা নিয়ে জমায়েত তৃণমূল কর্মীদের। কোচবিহারের বাবুরহাটে ধর্না তৃণমূল কংগ্রেসের। 

আরও পড়ুন , 'পিছনের সিটে বসব, প্রয়োজনে রাজনীতি ছেড়ে দেব..' ! লোকসভায় চিফ হুইপের পদে ইস্তফা দিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন কল্যাণ

প্রসঙ্গত, কালো পতাকা, বিক্ষোভ কর্মসূচি এই প্রথম নয়। একুশের বিধানসভা ভোটের আগেও এমন দৃশ্য বারবার উঠে এসেছে। এমনকি গোবর-জল দিয়ে ধোঁয়া থেকে শুরু করে আরও একাধিক কর্মসূচি আগেও দেখেছে বাংলা। বিশেষ করে দলবদলের পরে, বিশুদ্ধ করার দাবিতে বহু কর্মীদের এই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। এবার পাখির চোখ ছাব্বিশের বিধানসভা ভোট। আর তার আগেই রাজ্যের শাসক-বিরোধী দলগুলি ইতিমধ্যেই একাধিক ইস্যুতে ময়দানে নেমেছে। এর মধ্যে অন্যতম ইস্যু SIR এবং ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের হেনস্থার অভিযোগ।  

একুশের বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের স্লোগান ছিল 'খেলা হবে'। ৫ বছর পর রাজ্য যখন আরেকটা বিধানসভা ভোটের মুখে দাঁড়িয়ে, তখন সেই 'খেলা হবে' স্লোগান সম্প্রতি শোনা যায় শুভেন্দু অধিকারীর গলায়! বিহারের পর পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হবে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের কাজ। কংগ্রেস, তৃণমূল-সহ একাধিক বিরোধী রাজনৈতিক দল যখন এর চরম বিরোধিতায় বিক্ষোভ-প্রতিবাদে নেমেছে, তখন পাল্টা হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু অধিকারী। সম্প্রতি শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'কার কার নাম বাদ যাবে? আমি আপনাদের বলছি, কার নাম বাদ যাবে। মৃত ভোটারের নাম থাকবে না। ডবল এন্ট্রি থাকবে না। অস্তিত্বহীন থাকবে না। বাংলাদেশের মুসলমান, আর রোহিঙ্গা...।'লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ যাওয়া তিনি মানবেন না। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।   তৃণমূল নেত্রী  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেদিন বলেছিলেন, বিহারে ৪০ লক্ষের বেশি লোকের নাম বাদ দিয়ে দিয়েছে। বাংলাতেও করতে চলেছে। যদি করে,তাহলে ঘেরাও কর্মসূচি করব। পুরো ঘেরাও হবে। পুরো আন্দোলন হবে। আমি নাম কাটতে দেব না। আমরা এটা বদল করব। আমরা এটা মানব না। আমরা এটা মানব না। আমরা এটা মানব না।'পাল্টা চ্যালেঞ্জ করে শুভেন্দু অধিকারী বলছিলেন, 'বিহারে যা নাম বাদ গেছে, পশ্চিমবঙ্গে তার দ্বিগুণ নাম বাদ যাবে।'