কলকাতা: হরিদেবপুর গণধর্ষণকাণ্ডে অবশেষে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত দেবাংশু বিশ্বাস। গতকাল রাতে দেশপ্রিয় পার্ক এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ৫ সেপ্টেম্বর রিজেন্ট কলোনিতে জন্মদিনের পার্টিতে ডেকে তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। এই ঘটনার পাঁচদিন পর বর্ধমান স্টেশন থেকে চন্দন মালিক নামে ১ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিল মূল অভিযুক্ত দেবাংশু বিশ্বাস। এই ঘটনার পর উত্তরপ্রদেশ হয়ে দিল্লিতে পালায় অভিযুক্ত দেবাংশু। দিল্লির বিভিন্ন মেসে গা ঢাকা দিয়েছিল দেবাংশু। এমনকি মোবাইল ফোনও ব্যবহার করছিল না অভিযুক্ত।
ঠিক কী হয়েছিল ?
চলতি মাসের শুরুতেই দক্ষিণ কলকাতার রিজেন্ট কলোনিতে জন্মদিনের পার্টির নামে ডেকে ফাঁকা বাড়িতে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে গণধর্ষণের মামলা রুজু করেছে হরিদেবপুর থানা। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পর থেকে বেপাত্তা ছিল দুই অভিযুক্ত। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই হরিদেবপুর বাড়ির মালিক স্মিতা সরকার বলেছিলেন , খুবই চিন্তার কারণ। এই ঘটনাগুলো তো প্রত্যাশিত নয়। আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের পর কসবার ল' কলেজ ,এক বছরে কলকাতার বুকে একের পর এক গণধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল হয়েছে রাজ্য। এই প্রেক্ষাপটে কলকাতায় ফের ওঠে গণধর্ষণের অভিযোগ!দক্ষিণ কলকাতার রিজেন্ট কলোনি এলাকায় , জন্মদিনের পার্টির নামে নারকীয় শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছিলেন বছর কুড়ির তরুণী।
অভিযোগ, জন্মদিনের পার্টির কথা বলে নিয়ে আসা হলেও, সেই সময় সেখানে তাঁরা ৩ জন ছাড়া কেউ ছিলেন না
পুলিশ সূত্রে খবর, রাত ১০টা ৪৫ নাগাদ জন্মদিনের পার্টির কথা বলে হরিদেবপুর থানা এলাকা থেকে, তরুণীর বন্ধু চন্দন মালিক মোটরবাইকে করে তাঁকে নিয়ে আসেন দেবাংশু বিশ্বাস ওরফে দীপ নামে এক যুবকের ভাড়া বাড়িতে। ওই ভাড়া বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধর্ষণ ও শারীরিক হেনস্থা করেছিলেন দু'জন। অভিযোগ, জন্মদিনের পার্টির কথা বলে নিয়ে আসা হলেও, সেই সময় সেখানে তাঁরা ৩ জন ছাড়া কেউ ছিলেন না। ঘটনায় তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছিল হরিদেবপুর থানা। নির্যাতিতাকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলেও গিয়েছিল পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে খবর, অভিযুক্ত দেবাংশু বিশ্বাস সরকারি কর্মী ও চন্দন মালিক এলাকার একটি ক্লাবের কর্মকর্তা। ঘটনার পর থেকে তাঁরা বেপাত্তা ছিল বলে দাবি উঠেছিল পুলিশ সূত্রে।