হাওড়া: ভরা পুজোর মধ্য়েই অঘটন হাওড়ায়। বচসার জেরে হাওড়ার চ্যাটার্জিহাটে 'আক্রান্ত' হলেন কলকাতা পুলিশের SI.অভিযোগ,'রেস্তোরাঁর কর্মীদের আধার কার্ড রাখা নিয়ে মালিকের সঙ্গে পুলিশ অফিসারের বচসা হয়। আধার কার্ড আবাসন কমিটির কাছে রাখতে বলায় ২ পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়'। আর এরপরেই ঘটনা মোড় নেয় বলে অভিযোগ। 

আরও পড়ুন, নিরাপত্তার কারণে বন্ধ হয়ে গেল ত্রিধারা সম্মিলনীর লাইভ অনুষ্ঠান ! 

বচসার জেরে দলবল নিয়ে হকি স্টিক, রড দিয়ে মারধরের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। কলকাতা পুলিশের SI-কে মারধরের পাশাপাশি, তাঁর স্ত্রীরও শ্লীলতাহানির অভিযোগ সামনে এসেছে। ইতিমধ্যেই ওই হামলার অভিযোগে রেস্তোরাঁ মালিক-সহ ৪জন গ্রেফতার করা হয়েছে। খুনের চেষ্টা, শ্লীলতাহানি, সরকারি কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ।

হাওড়ায় আবাসনে ঢুকে পুলিশ অফিসারকে বেধড়ক মারধর করল দুষ্কৃতীরা। গুরুতর জখম হয়েছেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সাব ইন্সপেক্টর অমিতকুমার সিং।ঘটনায় এক রেস্তোরাঁর মালিক-সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রাজ্যে ফের আক্রান্ত এক পুলিশকর্মী। ঝরল রক্ত! দুষ্কৃতীদের মারে জখম হলেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সাব ইন্সপেক্টর অমিতকুমার সিং।এই ঘটনায় এক রেস্তোরাঁর মালিক-সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হাওড়ার চ্যাটার্জিহাটে একটি আবাসনে থাকেন ওই পুলিশ অফিসার। নীচের তলার একটি ফ্ল্যাটে ১০ কর্মীকে রাখতেন অভিযুক্ত রেস্তোরাঁ মালিক মানস রায়। আবাসনের কমিটির কাছে কর্মীদের সকলের আধার কার্ড জমা দিতে বলেন ওই সাব ইন্সপেক্টর। অভিযুক্ত রেস্তোরাঁ মালিক তা দিতে অস্বীকার করেন। সেই নিয়েই গন্ডগোলের শুরু। পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ভোর চারটে নাগাদ চ্যাটার্জিহাটের আবাসনে চড়াও হন রেস্তোরাঁ মালিক মানস রায় ও তাঁর দলবল।  লাঠি, হকি স্টিক এবং লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় পুলিশ আধিকারিককে। তাঁর কান ও পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। এমনকী পুলিশ আধিকারিকের স্ত্রীকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত রেস্তোরাঁর মালিক-সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, মারধর, শ্লীলতাহানি ও সরকারি কর্মীর ওপর হামলা-সহ একাধিক জামিনঅযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

কিছু দিন আগেই রাজ্যের মাটিতে  আক্রান্ত হয়েছিল পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছিল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। পুুলিশকে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল! তৃণমূল নেতার ভাইকে রাস্তায় আটকে মারধরের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছিল। আক্রান্তকে উদ্ধারে গিয়ে মার খেয়েছিল পুলিশ। জখম ৩ পুলিশ কর্মী, পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর। পুলিশকে মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছিল ১৭। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছিল পুলিশ।