কলকাতা:বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পাশা উল্টে দিয়ে রাজ্যে ক্ষমতা এসেছে বিজেপি সরকার। আর ভোটে হারের মাসখানেকের মধ্যে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তৃণমূল এখন ভেঙে খানখান। তৃণমূলে এই উথালপাথাল পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবার আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর বলেছিলেন, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইলে তিনি রেজিনগর আসন ছেড়ে দিতে পারেন। আর এবার ফের মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা হুমায়ুন কবীরের।                           

Continues below advertisement

জল্পনা চলছে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বসিরহাট কেন্দ্র থেকে দাঁড়াতে পারেন। এ প্রসঙ্গে এবিপি আনন্দকে নওদার বিধায়ক বলেন, 'উনি যদি লোকসভায় যাওয়ার জন্য বসিরহাট উপনির্বাচনে লড়েন, সেক্ষেত্রে আমি প্রার্থী নাও দিতে পারি। ওঁকে পার্লামেন্টে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি সাপোর্ট করতে পারি। বিধানসভায় আসলে তো ভালই, না হলে পার্লামেন্টে যাবেন। সর্বভারতীয় রাজনীতিতে তিনি উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি। ভারতবর্ষের রাজনীতিতে তার পরিচিতি গুরুত্ব অনেক বেশি। বিজেপির একনায়কতন্ত্র-র বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। বিজেপি যেভাবে চলছে সব রাজ্যের ক্ষমতা দখল করে এটা চলতে পারে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন কোনও হেলাফেলার বিষয় নয়।'                           

আরও পড়ুন, যুদ্ধ, জলবায়ু সঙ্কট, প্রকৃতির আর্তনাদ—২০৫০ সালের পৃথিবী কি বাসযোগ্য থাকবে?

Continues below advertisement

বৃহস্পতিবার কী প্রস্তাব দিয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর?  

বিধানসভা ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর নিজের গড় ভবানীপুরে হারিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর আসন যাওয়ার পাশাপাশি, এখন আর বিধায়কও নন তৃণমূলনেত্রী। এই প্রেক্ষাপটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নতুন প্রস্তাব দিলেন হুমায়ুন কবীর। আমজনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন বলেছিলেন, 'তিনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) আমার সিনিয়ার মোস্ট, গোটা রাজ্যের (শুধু) নেত্রী না, তিনি (শুধু) বাংলার নেত্রী না, তিনি ভারতবর্ষের একজন উল্লেখযোগ্য নেত্রী। তাঁর এই সময় বিধানসভায় আসা জরুরি ছিল। কিন্তু হেরে গেছেন। ভবানীপুরের মানুষ তাঁকে হারিয়ে দিয়েছে। তিনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) যদি আসতে চান, আমাকে ব্যক্তিগত স্তরে বললে, হুমায়ুন কবীর অবশ্যই ব্যাপারটা... রেজিনগরের মানুষের কাছে হুমায়ুন কবীর শেষ কথা বলবে।'