রাজা চট্টোপাধ্যায়, জলপাইগুড়ি : জলপাইগুড়ি শহরে (Jalpaiguri Town) তৃণমূল কর্মীর (TMC Worker) বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মারধরের পাল্টা অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। হাসপাতালে ভর্তি কংগ্রেস কর্মী। এনিয়ে দু’পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে জোর সংঘাত-
কে কার ওপর হামলা চালিয়েছে, তা নিয়েই জলপাইগুড়িতে কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে জোর সংঘাত। অভিযোগ, রবিবার রাতে তৃণমূলের ওয়ার্ড কমিটির সদস্য অপু চাকির বাড়িতে সশস্ত্র হামলা চালায় বহিরাগতরা। পুরভোটে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের পরাজিত কংগ্রেস প্রার্থী সুমিত্রা মণ্ডল ঘোষের স্বামী দেবব্রত ঘোষের নেতৃত্বে তারা চড়াও হয় বলে অভিযোগ। জলপাইগুড়ি পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কর্মী উল্লাস পাল বলেন, বন্ধুর বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। আমাকেও মারে। স্কুটির চাবি নিয়ে নেয়। কংগ্রেসের সঙ্গে বহিরাগত ছিল। কংগ্রেস হার মেনে নিতে পারছে না।
আরও পড়ুন ; পরের বছর পঞ্চায়েত নির্বাচন, দলীয় কর্মীদের কী বার্তা কোচবিহার তৃণমূল নেতৃত্বের ?
এদিকে সোমবার সকালে ভিডিও জমা দিয়ে জলপাইগুড়ি কোতয়ালি থানায় কংগ্রেস নেতা-সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে তৃণমূল। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে ঘণ্টা দুয়েক ধরে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা। অন্যদিকে, শাসকদলের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কংগ্রেস নেতা। জলপাইগুড়ির কংগ্রেস নেতা দেবব্রত ঘোষ বলেন, দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় নতুন কাউন্সিলরের লোকজন মাথায় রডের বাড়ি মারে। যেহেতু বিরোধী দল করি, তাই আক্রমণ।
এই ঘটনায় একে অপরের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে কংগ্রেস ও তৃণমূল। জলপাইগুড়ি শহর তৃণমূলের সভাপতি তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পুর নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীর স্বামী মত্ত অবস্থায় হামলা চালায়। নিজে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। ওর বাড়িতে কোনও হামলা হয়নি।
যদিও জলপাইগুড়ি শহর কংগ্রেসের সভাপতি অম্লান মুন্সি বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ। কংগ্রেসের অবস্থা কাউকে আক্রমণ করার মতো নেই। নোংরা রাজনীতি আমরা করি না।
কংগ্রেসের তরফেও জলপাইগুড়ির কোতয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।