কলকাতা: কলেজে নিরাপত্তারক্ষীর ঘরে কীভাবে 'গণধর্ষণের' ঘটনা ঘটল?  কসবাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। এবার নির্যাতিতা ও ৩ ধৃতের DNA-র নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে DNA-র নমুনা। ঘটনার দিন ধৃত ৩ জনের পরে থাকা পোশাকের পরীক্ষা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন, কসবাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ, কাদের 'শিক্ষা' দেওয়ার কথা বললেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ?

পুলিশের হাতে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব ঘটনার ভিডিও

কসবায় কলেজের ভিতরে নারকীয় ঘটনা!আইন কলেজেই আইন ভঙ্গের ভয়ঙ্কর অভিযোগ!হাসপাতালের পর শিক্ষাঙ্গনেও গণধর্ষণের মতো ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠেছে!দক্ষিণ কলকাতার ল’কলেজের মধ্যে ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে উত্তাল রাজ্য়!ইতিমধ্যেই এই কলেজের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। আর সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে গিয়েই পুলিশের হাতে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব ঘটনার ভিডিও।

 চোখের সামনে এত বড় ঘটনা ঘটতে দেখেও কেন বাধা দেননি নিরাপত্তারক্ষী?

কসবার সাউথ ক্যালকাটা ল’ কলেজে গণধর্ষণকাণ্ডে গ্রেফতার হন নিরাপত্তারক্ষী। নির্যাতিতার অভিযোগ, নিরাপত্তারক্ষীকে বার করে দিয়ে তাঁর ঘরেই অত্যাচার চলে।নিরাপত্তারক্ষীর সাহায্য চেয়েও পাননি বলে অভিযোগ করেন নির্যাতিতা। প্রশ্ন উঠেছে, চোখের সামনে এত বড় ঘটনা ঘটতে দেখেও কেন বাধা দেননি নিরাপত্তারক্ষী? কলেজ কর্তৃপক্ষকেও কেন জানাননি? তাঁকেও কি হুমকি দেওয়া হয়েছিল? খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

 অভিযোগকারিণীকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় গার্ডরুমে

পুলিশ সূত্রে খবর,নির্যাতিতার বয়ানের সঙ্গে হুবহু মিলে গেছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ। ২৫ তারিখ কলেজের সিসি ক্যামেরা ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, মেন গেটের দিকে আসছেন নির্যাতিতা। সেখান থেকে তাঁকে হাত ধরে ভিতরে টেনে নিয়ে যাচ্ছে ২ জন। এরপর অভিযোগকারিণীকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় গার্ডরুমে। এই ২ জন হল সাউথ কলকাতা ল' কলেজেরই দুই পড়ুয়া প্রমিত মুখোপাধ্যায় ও জেব আহমেদ। ২৫ জুন সন্ধে থেকে রাত অবধি ঠিক কী কী ঘটিয়েছিল তৃণমূল নেতা মনোজিৎ মিশ্র-সহ ৩ অভিযুক্ত,তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ এফআইআর-এ উল্লেখ করেছেন নির্যাতিতা। আর এরপর এই বয়ানের সঙ্গে সিসি ক্যামেরা ফুটেজ মিলিয়ে দেখতে গিয়েই ভয়ঙ্কর ঘটনাক্রমের ভিডিও এসেছে তদন্তকারীদের হাতে। 

অভিযোগকারিণী কলেজে নিয়ে গিয়ে পুনর্নির্মাণ করেছেন তদন্তকারীরা

এদিকে শনিবারই অভিযোগকারিণী কলেজে নিয়ে গিয়ে পুনর্নির্মাণ করেছেন তদন্তকারীরা। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৮৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী, রেকর্ড করা হয়েছে অভিযোগকারিণীর গোপন জবানবন্দি। এদিকে, গোপন জবানবন্দি দিতে চেয়েছেন নির্যাতিতার মা-বাবাও। তাঁদের গোপন জবানবন্দি নেওয়ার জন্য আলিপুর আদালতে আবেদন করা হয়েছে পুলিশের তরফ।