প্রকাশ সিনহা, কলকাতা: আদালতের নির্দেশের পর ভুয়ো ভ্যাকসিন মামলায় এবার প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে দেবাঞ্জন দেবকে জেরা করল ইডি। 

সূত্রের খবর, পুলিশ হেফাজত থেকে একদিনের জন্য দেবাঞ্জনকে প্রেসিডেন্সি জেলে আনা হয়েছে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যান ইডি-র তদন্তকারীরা। 

ভুয়ো ভ্যাকসিন মামলায় দেবাঞ্জনকে ৪ ঘণ্টা জেরা করে তাঁর বয়ানও রেকর্ড করা হয়। দেবাঞ্জনের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া নথি খতিয়ে দেখেই জেরা করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। 

ভুয়ো ভ্যাকসিন মামলায় ধৃত বাকিদের বয়ান মিলিয়ে দেখে দেবাঞ্জনকে তাদের মুখোমুখি বসিয়ে ফের জেরা করা হবে। খবর ইডি সূত্রে।

স্পেশাল কোর্টে দেবাঞ্জনকে জেরার অনুমতি চেয়ে ইডি আবেদন করলে, গত ৭ তারিখ কেন্দ্রীয় সংস্থার আবেদনকে মঞ্জুর করে অনুমতি দেয় আদালত। 

ইডিকে স্পেশাল কোর্ট জানিয়েছিল, যখনই দেবাঞ্জন জেল হেফাজতে যাবেন, তখনই ইডির অফিসাররা তাঁকে জেলে গিয়ে জেরা করতে পারবে। এই নির্দেশ প্রতিটি জেল সুপারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল।  

তার আগে, চলতি মাসের ১ তারিখ ভুয়ো ভ্যাকসিন, করোনার ওষুধ ও মেডিক্যাল সরঞ্জামের কালোবাজারির তদন্তে নামে ইডি। আগেই ৬টি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। 

কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয় অভিযান। ইডির  ৬০-৭০ জন কর্মী, আধিকারিক বিভিন্ন দলে ভাগ করে ১০ টি জায়গায় অভিযান চালান। 

প্রথমেই দেবাঞ্জন দেবের মাদুরদহের বাড়িতে হানা দেন ইডি-র অফিসাররা। তল্লাশি চলে দেবাঞ্জনের আত্মীয় রাহুল বর্ধনের লেনিন সরণির বাড়িতেও। রাহুল মেডিসিন সাপ্লায়ার হিসেবে কাজ করতেন। এছাড়াও, ওয়াটগঞ্জে দেবব্রত সাহুর বাড়িতেও অভিযান চালান ইডি-র তদন্তকারীরা। 

রেমডেসিভির কালোবাজারির অভিযোগে দেবব্রতকে আগেই গ্রেফতার করা হয়। রাজ্যে ভুয়ো ভ্যাকসিনের পাশাপাশি অক্সিজেন, রেমডেসিভির, অক্সিমিটারের কালোবাজারি নিয়েও তদন্ত চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

আরও পড়ুন: দেবাঞ্জন দেবকে জেলে গিয়ে জেরার অনুমতি পেল ইডি

আরও পড়ুন: ভুয়ো ভ্যাকসিনকাণ্ডে গ্রেফতার দেবাঞ্জন দেবের মাদুরদহের বাড়িতে হানা দেন ইডি-র