ঝিলম করঞ্জাই, কলকাতা: বিটি রোডে পথ দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক মৃত্যু স্কুল ছাত্রের। অভিযোগ, রাস্তা পার হওয়ার সময় পেছন থেকে এসে পিষে দেয় বাস। সিগনাল ভেঙে ছাত্রকে পিষে দিয়ে যায় ২৩৪ রুটের বাস, খবর স্থানীয় সূত্রে। বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে ছাত্রকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ স্থানীয়দের। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, 'SIR-এর কাজের চাপে ব্রেনস্ট্রোক..', SSKM-র ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন নামখানার BLO !

Continues below advertisement

ঠিক কী হয়েছিল ?

আরজিকর হাসপাতাল সূত্রে জানা যাচ্ছে, ১০ টা ৪০ নাগাদ বছর ১৫ এর পড়ুয়া স্কুল যাচ্ছিল। রাস্তা পারাপারের সময়, সিগন্যাল ভেঙে বেপরোয়াভাবে, ২৩৪ রুটের একটি বাস তাঁকে ধাক্কা মারে। গুরুতর আহত ওই ক্লাস নাইনের পড়ুয়াকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর ওই নার্সিংহোমে তাঁকে চিকিৎসা না করে সেখান থেকে রেফার করে দেওয়া হয়। এরপর যখন আরজিকর হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার ইউনিটে নিয়ে আসা হয়। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে, মৃত বলে ঘোষণা করে।

রাজ্যের মাটিতে পরপর দুর্ঘটনা

পুলিশের হাজার সচেনতারমূলক বার্তা ছড়ানোর পরেও, রাজ্যের মাটিতে পরপর দুর্ঘটনা। বাঁকুড়া ও হাওড়ায় গত কয়েকদিনে আহত হয় একাধিক পড়ুয়া।   হাওড়ায় পুলকার দুর্ঘটনায় মৃত্যুও হয়েছে ৩ জন পড়ুয়ার ! প্রত্যেকেরই বয়স ছিল ৭ থেকে ১১-র মধ্যে। পুলকারের চালককে গ্রেফতার করে  পুলিশ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২ খুদে পড়ুয়া। শুরুর আগেই সব শেষ। স্কুল থেকে ফেরার পথে স্কুলের গাড়িই কেড়ে নিয়েছিল প্রাণ। মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ যায় ৩ খুদে পড়ুয়ার। গত সোমবার দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ,হাওড়ার মাদার মেরি স্কুলের পড়ুয়াদের নিয়ে ফিরছিল একটি পুল কার। উলুবেড়িয়ায় বহিরা এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় পুকুরে পড়ে যায় পুলকারটি। সেই সময় পুলকারে ছিল ৫ জন পড়ুয়া। বাচ্চাদের উদ্ধার করতে পুকুরে ঝাঁপিয়ে পড়েন স্থানীয়রা। কিন্তু ৫ জনের মধ্যে মাত্র ২ জন পড়ুয়াকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। 

৭ বছরের ইশিকা মণ্ডল, ১১ বছরের সৌমিক দাস, ও ৯ বছরের পড়ুয়া অরিন দে-কে বাঁচানো যায়নি। অভিভাবক মন্দিরা মণ্ডল বলেন, পুজোর সময় চালকের হার্ট অপারেশন হয়েছিল। এরপর গাড়ি চালাত। অসুস্থতার জন্য হল কিনা জানি না। দুর্ঘটনার জন্য় খারাপ রাস্তাকেও দায়ী করেছেন স্থানীয়দের একাংশ।