আশাবুল হোসেন, কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, সন্দীপ সরকার: I-PAC -এর অফিস ও সংস্থার কর্ণধারের বাড়িতে ED তল্লাশি নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত চরমে। কলকাতায় মিছিল করে বিজেপিকে নিশানা করলেন মুখ্য়মন্ত্রীকয়লাকাণ্ডে নিয়ে আক্রমণ করলেন অমিত শাহ ও শুভেন্দু অধিকারীকে। পাল্টা নথি চুরির অভিযোগে আক্রমণ শানাল বিজেপি।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ১ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের ডাক হুমায়ুন কবীরের, জোট-জল্পনার মধ্য়েই গেলেন ISF বিধায়ক নৌশাদের বাড়িতে, বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে কথা হল কী?

ভরা শীতেও উধাও ঠান্ডা! ED-র I-PAC অভিযান ঘিরে রাজনীতির আঁচে ফুটছে ভোটমুখী রাজ্য! ইডির তল্লাশির প্রতিবাদে, শুক্রবার যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড থেকে হাজরা পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মিছিল শেষে হাজরার সভা থেকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপিকে!মুখ্য়মন্ত্রী  মমতা  বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেন, আপনাদের ভাগ্য় ভাল এখনও যে, আমি চেয়ারে আছি বলে না, ওই পেনড্রাইভগুলো বাইরে বের করে দিই না। মনে রাখবেন লক্ষ্মণের সীমারেখা আছে।...পেরিয়ে গেলে কিন্তু আর সামলে রাখতে পারবেন না। আমি অনেক কিছু জানি। বলি না শুধু দেশের স্বার্থে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থীদের প্রস্তাবিত তালিকাটা নিয়ে গেছেন, কিন্তু ওটার কপি অনেকের কাছে রয়ে গেছে। মমতা ব্যানার্জি ল্যাপটপটা নিয়ে গেছেন, ল্যাপটপের ভিতরে কী আছে, কেউ জানেন না। বোকার মতো কাজ।  কয়লাকাণ্ড নিয়ে বার বার তৃণমূলকে নিশানা করছে বিজেপি। এদিন সেই নিশানা অমিত শাহ ও শুভেন্দু অধিকারীর দিকে ঘুরিয়ে দেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। মুখ্য়মন্ত্রী বলেন,  'আমি আপনাদের বলি, আমরা যদি করতে পারতাম না, অনেক কিছু করতে পারতাম। বলছে কয়লার টাকা, কে খায় ? অমিত শাহ খায়, হোম মিনিস্টার ! কী করে খায় ? গদ্দারের মাধ্যমে টাকা যায়।..সাথে আছে এক জগন্নাথ। জগন্নাথ ধামের জগন্নাথ নয়। পুরীর জগন্নাথ নয়। বড় ডাকাত বিজেপির। জগন্নাথের মাধ্যমে টাকা যায়, শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। আর শুভেন্দু অধিকারীর কাছে টাকা যায়, অমিত শাহর কাছে। 

Continues below advertisement

বিজেপির নিশানায় যখন আই প্য়াক, তখন এই সংস্থা নিয়ে ব্য়াখ্য়া দেওয়ার চেষ্টা করেছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভুলে গেছে বিজেপির এই কানাকাটার দলগুলো। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও এরা একদিন কাজ করেছে। চোদ্দোতে যখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছিল , PAC কাজ করেছিল নরেন্দ্র মোদির হয়ে। চন্দ্রবাবু নায়ডুর হয়ে কাজ করেছিল। নীতিশ কুমারের হয়ে কাজ করেছিল।  জগন রেড্ডির হয়ে কাজ করেছিল। তখন প্রশান্ত কিশোর ছিল। এখন মালিকানা বদল হয়েছে।