সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা: আমডাঙায় ফাঁকা জমি থেকে অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার অর্ধদগ্ধ বিবস্ত্র দেহ উদ্ধার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হরিশপুর খাসপাড়া গ্রামে চাঞ্চল্য। 'মহিলাকে অন্যত্র খুন করে প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহ এখানে এনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে' , দেহ উদ্ধারের পর প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। ঘটনাস্থলে আনা হয়েছে স্নিফার ডগ।
আরও পড়ুন, প্রতিবেশী মহিলার সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক, রাত ৮ টায় বাড়ির বাইরে পা, আচমকাই ফোন অফ যুবকের !..
গতবছর আনন্দপুরে অজ্ঞাত পরিচয় এক মহিলার দেহ উদ্ধার হয়েছিল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। ঝোপের ধার থেকে উদ্ধার হয়েছিল মহিলার রক্তাক্ত দেহ। মৃতার শরীরে মিলেছিল একাধিক আঘাতের চিহ্ন। দেহটি কেউ বা কারা খুন করে ফেলে রেখে গিয়েছিল বলে অনুমান পুলিশের। এরপরেই ঘটনার তদন্ত শুরু করে আনন্দপুর থানার পুলিশ।ইএম বাইপাস থেকে নোনাডাঙা চিনা মন্দিরের দিকে যে রাস্তা গিয়েছে সেখানকার ঝোপের মধ্যে দেহটি পড়ে ছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই এলাকায় রাতে কোনও আলো থাকে না। আশেপাশে কোনও বাড়ি নেই। স্থানীয়দের অনুমান, বেশ কয়েক ঘণ্টা আগে খুন হয়েছে বলে অনুমান। কারণ দেহটি শক্ত হয়ে গিয়েছিল। মহিলার হাতে ঘড়ি এবং কানে দুল থাকায়, এই ঘটনা ডাকাতি বা চুরির উদ্দেশে নয় বলে মনে করা হচ্ছে।
সম্প্রতি মূক ও বধির এক গৃহবধূকে বাড়িতে ঢুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তর স্ত্রী মুহুয়ারাপুর পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য। নির্যাতিতা গৃহবধূর স্বামীর অভিযোগ, পুলিশে অভিযোগ করতেই, পাল্টা তাঁদের উপর অত্যাচার চালিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা। অভিযোগ, পানীয় জলের সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। অভিযুক্তকে ভোর রাতে গ্রেফতার করেছিল মুরারই থানার পুলিশ। পাশাপাশি আরও একটি ঘটনা ঘটে হাবড়ায়। গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপি কর্মী , পাঠানো হয় আদালতে। গৃহবধুর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার অভিযুক্ত। বয়স ৩১। সোমবার পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজত চেয়ে বারাসাত আদালতে পাঠানো হয় অভিযুক্তকে ।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তের বাড়ি হাবরা থানার গোয়ালবাটি এলাকায়। চলতি মাসের ১১ তারিখ মাঝরাতে গৃহবধূ বাথরুমে যাওয়ার জন্য ঘরের বাইরে যেতেই অভিযুক্ত, তাঁকে রাতের অন্ধকারে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযুক্ত গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব দিচ্ছিল সে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধর্ষণ করে গৃহবধূকে হুমকিও পর্যন্ত দেয় অভিযুক্ত।