উত্তর ২৪ পরগনা: ন্যাজাটকাণ্ডে পুলিশের স্ক্যানারে প্রত্যক্ষদর্শী অটোচালকের বয়ান। সূত্রের খবর, এই অটোচালকের বয়ানের সূত্র ধরেই মুখোমুখি বসিয়ে এবার জেরা করা হতে পারে ন্যাজাটকাণ্ডে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া রুহুল কুদ্দুস তরফদার এবং গোলাম হোসেন মোল্লাকে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর সৌগত রায় বলেন, 'এখনও সুযোগ আছে..' ! কিন্তু কীভাবে ? 

Continues below advertisement

জিজ্ঞাসাবাদের মুখে প্রত্য়ক্ষদর্শী অটোচালক দাবি করেছেন, ভোলানাথ ঘোষের গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কার পরই রুহুল কুদ্দুস তরফদারের বাইকে চেপে এলাকা ছেড়ে পালান গোলাম হোসেন মোল্লা, কুদ্দুসের বাইকে করে কলুপাড়ার দিকে যান গোলাম হোসেন মোল্লা। সেখান থেকে তারা জীবনতলার দিকে চলে যায়। পুলিশ সূত্রে দাবি, এই রুহুল কুদ্দুসই সরবেড়িয়া থেকে বাইকে সাক্ষী ভোলানাথ ঘোষের গাড়ি ফলো করছিলেন। পুলিশ সূত্রে আরও দাবি, গোলাম হোসেন ও কুদ্দুস তরফদারের ফোনের কথোপকথনের তথ্য়ও তাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। পরিবারের দাবি, ধৃত গোলাম হোসেন মোল্লা ভাড়াটে ড্রাইভার হিসাবে কাজ করতেন। চালকের কাজ যেমন করতেন, সঙ্গে করতেন খালাসির কাজও। যদিও তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছিল। 

ন্যাজাটে শেখ শাহজাহানের সাক্ষীর গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা কি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র? এই প্রশ্ন যখন জোরাল হয়ে উঠছে, তখন পুলিশের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এক প্রত্যক্ষদর্শী অটোচালকের বয়ান। এই ঘটনায় সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দার, রুহুল কুদ্দুস তরফদার এবং গোলাম হোসেন মোল্লাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের মুখে প্রত্য়ক্ষদর্শী অটোচালক দাবি করেছেন, ভোলানাথ ঘোষের গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কার পরই রুহুল কুদ্দুস তরফদারের বাইকে চেপে এলাকা ছেড়ে পালান গোলাম হোসেন মোল্লা।কুদ্দুসের বাইকে করে কলুপাড়ার দিকে যান গোলাম হোসেন মোল্লা। সেখান থেকে তারা জীবনতলার দিকে চলে যায়। পুলিশ সূত্রে দাবি, এই রুহুল কুদ্দুসই সরবেড়িয়া থেকে বাইকে সাক্ষী ভোলানাথ ঘোষের গাড়ি ফলো করছিলেন। পুলিশ সূত্রে আরও দাবি,গোলাম হোসেন ও কুদ্দুস তরফদারের ফোনের কথোপকথনের তথ্য়ও তাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। গোলাম হোসেন মোল্লার স্ত্রী   রাইমা বিবি বলেন, সোমবার বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। বলেছিল ডানকুনিতে রয়েছি মাল কালাস করছি। বৃহস্পতিবার অবধি ফোনে কথা হয়েছে তারপর হয়নি। পরিবারের দাবি, ধৃত গোলাম হোসেন মোল্লা ভাড়াটে ড্রাইভার হিসাবে কাজ করতেন।চালকের কাজ যেমন করতেন, সঙ্গে করতেন খালাসির কাজও। যদিও তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছিল। 

গোলাম হোসেন মোল্লার বাবা  ওহেদ আলি মোল্লা বলেন, টাকার লোভ দেখিয়ে হয়তো নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, মোটর ভেহিক্যালস ইন্সপেক্টর ট্রাক পরীক্ষা করে জানিয়েছেন, ফিটনেস ফেল হলেও ট্রাকে কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না। পুলিশ সূত্রে খবর, ন্যাজাটকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করতে রুহুল কুদ্দুস তরফদারের সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে গোলাম হোসেন মোল্লাকে।