অর্ণব মুখোপাধ্যায়, কলকাতা: '২৬-র আগে রাজনীতির 'ধর্মযুদ্ধ', এবার সল্টলেকেও রামমন্দির? এবার সল্টলেকে রামমন্দির চেয়ে পড়ল পোস্টার। বিধাননগরে রামমন্দির, স্কুল, হাসপাতাল করতে চেয়ে বিজেপি নেতা সঞ্জয় পয়রার নামে পড়ল পোস্টার। সল্টলেকে রামমন্দিরের জন্য ১ টাকা করে দান সংগ্রহের কথাও বলা হয়েছে সেখানে। বিধানসভা ভোটের আগে তুঙ্গে মন্দির-মসজিদ রাজনীতি। মন্দির থেকে মসজিদ, গীতাপাঠ থেকে কোরান, তুঙ্গে রাজনীতির 'ধর্মযুদ্ধ'।
আরও পড়ুন, পশ্চিমবঙ্গের ভোটার হতে চান রাজ্যপাল, এনুমারেশন ফর্ম ফিলআপ করে দিলেন BLO-কে
সল্টলেকের সিটি সেন্টার, করুণাময়ী-সহ বিভিন্ন জায়গায় এই ধরণের হোর্ডিং এবং পোস্টার পড়েছে। যাতে রাম মন্দির নির্মাণ করা হবে, এবং তার নিচে লেখা রয়েছে স্কুল এবং হাসপাতাল তৈরি করা হবে। বিজেপি নেতা সঞ্জয় পয়রার নামে পড়েছে এই পোস্টার। যিনি মূলত বিজেপির প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি। এবং তিনি বিভিন্ন ধরণের কর্মকাণ্ড করে থাকেন। যেটা তাঁর বক্তব্য যে, উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যার রামমন্দিরের আদলেই এই মন্দির নির্মাণ করা হবে বিধাননগরে। সেই কারণে তিনি আহ্বানও জানিয়েছেন যে, ১ টাকা করে দান সংগ্রহের ডাক দিয়েছেন এই বিজেপি নেতা। তার পাশাপাশি কোন জায়গায় হবে, সেটা তিনি বলছেন না। তার বক্তব্য হচ্ছে যে, আমাদের জমি দেখা রয়েছে। কিন্তু বললে, বিভিন্ন ধরণের বাধা আসতে পারে, সেই কারণেই তিনি বলবেন না। তাঁর আরও বক্তব্য হচ্ছে যে, রামনবমীর দিনেই এর শিলান্যাস তাঁরা করবেন। এবং তারই পরিপ্রেক্ষিতে এখন থেকে তাঁরা হোর্ডিং দেওয়া শুরু করে দিয়েছেন।
রাম মন্দিরের আহ্বায়ক সঞ্জয় পয়রা বলেন, রামের রাজ্যে রামমন্দির প্রতিষ্ঠা হবে। ...বিধাননগরে রামমন্দির হবে। উত্তরপ্রদেশে যে রামমন্দির হয়েছে, সেরকম আরও একটা রামমন্দির এখানে হবে।
প্রশ্ন: কোথায় হবে এটা ?
রাম মন্দিরের আহ্বায়ক সঞ্জয় পয়রা : বিধাননগরেই হবে। রামের মন্দির হবে। রামরাজ্য প্রতিষ্ঠা হবে।
প্রশ্ন: কবে হবে ?
রাম মন্দিরের আহ্বায়ক সঞ্জয় পয়রা : ভূমিপূজা এবং শিলান্যাস, আমরা করব আগামী ২৬ মার্চ, রামনবমীর দিন, সকাল ১০ টায়। অনেকে জমি দেবার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। অনেকে নির্মাণ সামগ্রী দেবার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। অনেকে মূর্তি দেবার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সুতরাং হিন্দু সনাতনীরা সমস্ত মানুষ এক জায়গায় আসবেন। এবং তাঁরা যদি, সানন্দে এই রামমন্দিরের জন্য ১ টাকা নিধি দেয়, তাহলে সেটাও আমরা গ্রহণ করব। আর এখানে রাম মন্দিরের সঙ্গে অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা হবে। হাসপাতাল হবে, স্কুল হবে, নারী শিক্ষার প্রসার হবে। সেখানে বৃদ্ধাশ্রম হবে। বিভিন্নরকম আমরা কর্মসূচি নিচ্ছি। আমরা মোটামুটি ৪ বিঘা জমির মধ্যে করব।